Advertisement
E-Paper

‘খামেনেইয়ের উপরে যে কোনও ধরনের আক্রমণ মানেই যুদ্ধ’, ইরানের হুঁশিয়ারি কি ট্রাম্পের উদ্দেশে?

রবিবার সমাজমাধ্যমে পেজেশকিয়ান লিখেছেন, তাদের দেশের অর্থনৈতিক দুর্দশার নেপথ্যে রয়েছে আমেরিকা ও তার বন্ধু দেশগুলির শত্রুতা ও ‘অমানবিক’ নিষেধাজ্ঞা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ০২:৫২
(বাঁ দিকে) ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (ডান দিকে)। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়োতোল্লা আলি খামেনেইয়ের উপরে যে কোনও ধরনের আক্রমণ মানে তা ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার শামিল। এমনটাই বার্তা দিলেন সে দেশের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ইরানে বিক্ষোভ ও তাকে কেন্দ্র করে আমেরিকার সঙ্গে বিবাদ পরিস্থিতিতে খামেনেইয়ের দেশের বার্তা কি তবে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি? শুরু হয়েছে আলোচনা।

রবিবার সমাজমাধ্যমে পেজেশকিয়ান লিখেছেন, তাদের দেশের অর্থনৈতিক দুর্দশার নেপথ্যে রয়েছে আমেরিকা ও তার বন্ধু দেশগুলির শত্রুতা ও ‘অমানবিক’ নিষেধাজ্ঞা। তাঁর বক্তব্য, ‘‘দেশের সর্বোচ্চ নেতার প্রতি যে কোনও অবমাননা আসলে সমগ্র জাতির বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধের সমান।’’

প্রসঙ্গত, সরকারি আধিকারিকদের দাবি, বিক্ষোভের সময়ে ‘সন্ত্রাসী ও সশস্ত্র দাঙ্গাবাজ’-দের আক্রমণে ইরানে প্রায় ৫০০ নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্য সহ-প্রায় পাঁচ হাজার জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। পাল্টা বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, অন্তত তিন হাজারেরও বেশি প্রতিবাদী প্রাণ হারিয়েছেন। উল্লেখ্য, খামেনেই নিজেও কয়েক হাজার জনের মৃত্যুর খবর স্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি ছিল, ইরানের এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী আমেরিকা ও ইজ়রায়েল। মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ‘অপরাধী’ হিসাবে উল্লেখ করেন তিনি। সেই সঙ্গে বার্তা ছিল, আগে থেকে আমেরিকাকে যুদ্ধে আহ্বান না করলেও ইরানের অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত শত্রুদের রেহাই দেওয়া হবে না। পাল্টা ট্রাম্পের দাবি ছিল, খামেনেই হিংসাকে হাতিয়ার করে ইরানকে ধ্বংস করছেন।

আমেরিকার প্রেসিডেন্টের ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য ছিল, ‘‘নতুন নেতৃত্ব খোঁজার সময় এসেছে।’’ আরও দাবি, তাঁর হুঁশিয়ারির পরেই খামেনেইয়ের দেশ কয়েকশো বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড রদ করেছে। যদিও অনেকেই এই বিষয়ে সন্দিহান। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের অভিযোগ, বিক্ষোভ থামাতে গোপনে নৃশংস ভাবে দমন-পীড়ন করা হয়েছে।

ইরানের সরকারের অবশ্য দাবি, দেশে শান্তি ফিরে আসছে। ধীরে ধীরে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হচ্ছে। ইন্টারনেট ব্যবস্থাও স্বাভাবিক করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সে দেশের প্রেসিডেন্ট নাম না করে আমেরিকার প্রেসিডেন্টের উদ্দেশে ‘হুঁশিয়ারি’ দিয়ে রাখলেন।

Ayatollah Ali Khamenei Ali Khamenei Donald Trump
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy