Advertisement
E-Paper

নবান্ন অভিযান

পাকিস্তানে যুদ্ধবিরতি বৈঠকের আগে মুনিরের সঙ্গে আলোচনা আরাঘচির, ইরান বলল, ‘শত্রু এখন চোরাবালিতে’

চলতি মাসেই পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন-তেহরান প্রথম দফার বৈঠক হয়েছিল ইসলামাবাদে। তা ফলপ্রসূ না হলেও ট্রাম্প প্রশাসন ইতিমধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকাল বাড়িয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:১৩
Iran foreign minister Abbas Araghchi meets Pakistan Army chief Field Marshal Asim Munir in Islamabad

(বাঁ দিকে) আব্বাস আরাঘচি। আসিম মুনির (ডান দিকে)। ছবি: সংগৃহীত।

দ্বিতীয় দফার শান্তিবৈঠকে যোগ দিতে ইসলামাবাদে পৌঁছেই পাক সেনা সর্বাধিনায়ক ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে বৈঠক করলেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের সরকারের দাবি, আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি-মধ্যস্থতার অঙ্গ হিসাবেই এই আলোচনা হয়েছে। মুনিরের সঙ্গে শনিবারের বৈঠকে আরাঘচির সঙ্গে ছিলেন ইরানি বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই।

হোয়াইট হাউস সূত্রের খবর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিনিধি জ্যারেড কুশনার এবং স্টিভ উইটকফ যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার জন্য শনিবার সন্ধ্যায় পাকিস্তানে পৌঁছেছেন। তবে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে শনিবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েসকিয়ানের সরকার সরাসরি মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা নাকচ করেছে। বাঘাই জানিয়েছেন, ইরান তাদের পর্যবেক্ষণ এবং প্রস্তাবগুলি শুধুমাত্র পাকিস্তানকেই জানাবে। অন্য দিকে, ইরানের সংবাদমাধ্যম ‘ইসনা’ আমেরিকাকে নিশানা করে বলেছে, ‘‘বর্তমানে আমাদের সামরিক শক্তি সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। শত্রু এখন যুদ্ধের চোরাবালি থেকে বাঁচতে এক সম্মানজনক প্রস্থানের পথ খুঁজছে।’’

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত শুরুর পরে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের লক্ষ্যে পাকিস্তান ধারাবাহিক ভাবে কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে। চলতি মাসেই শরিফ-মুনিরদের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন-তেহরান প্রথম দফার বৈঠক হয়েছিল ইসলামাবাদে। তা ফলপ্রসূ না হলেও ট্রাম্প প্রশাসন ইতিমধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকাল বাড়িয়েছে। ট্রাম্পের দাবি, মুনিরের অনুরোধেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। তবে সেই সঙ্গেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, হরমুজ় প্রণালীকে ঘিরে নৌ-অবরোধ চলবে। সমাজমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘‘আমি সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়ে রেখেছি, নৌ-অবরোধ যেমন ছিল তেমনই থাকবে, এবং যে কোনও পরিস্থিতির জন্য তৈরি থাকতে হবে, যত দিন পর্যন্ত শান্তি আলোচনা সম্পূর্ণ না হচ্ছে।’’

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
US-Iran War Abbas Araghchi Field Marshal Asim Munir ceasefire
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy