দ্বিতীয় দফার শান্তিবৈঠকে যোগ দিতে ইসলামাবাদে পৌঁছেই পাক সেনা সর্বাধিনায়ক ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে বৈঠক করলেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের সরকারের দাবি, আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি-মধ্যস্থতার অঙ্গ হিসাবেই এই আলোচনা হয়েছে। মুনিরের সঙ্গে শনিবারের বৈঠকে আরাঘচির সঙ্গে ছিলেন ইরানি বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই।
হোয়াইট হাউস সূত্রের খবর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিনিধি জ্যারেড কুশনার এবং স্টিভ উইটকফ যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার জন্য শনিবার সন্ধ্যায় পাকিস্তানে পৌঁছেছেন। তবে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে শনিবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েসকিয়ানের সরকার সরাসরি মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা নাকচ করেছে। বাঘাই জানিয়েছেন, ইরান তাদের পর্যবেক্ষণ এবং প্রস্তাবগুলি শুধুমাত্র পাকিস্তানকেই জানাবে। অন্য দিকে, ইরানের সংবাদমাধ্যম ‘ইসনা’ আমেরিকাকে নিশানা করে বলেছে, ‘‘বর্তমানে আমাদের সামরিক শক্তি সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। শত্রু এখন যুদ্ধের চোরাবালি থেকে বাঁচতে এক সম্মানজনক প্রস্থানের পথ খুঁজছে।’’
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত শুরুর পরে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের লক্ষ্যে পাকিস্তান ধারাবাহিক ভাবে কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে। চলতি মাসেই শরিফ-মুনিরদের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন-তেহরান প্রথম দফার বৈঠক হয়েছিল ইসলামাবাদে। তা ফলপ্রসূ না হলেও ট্রাম্প প্রশাসন ইতিমধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকাল বাড়িয়েছে। ট্রাম্পের দাবি, মুনিরের অনুরোধেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। তবে সেই সঙ্গেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, হরমুজ় প্রণালীকে ঘিরে নৌ-অবরোধ চলবে। সমাজমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘‘আমি সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়ে রেখেছি, নৌ-অবরোধ যেমন ছিল তেমনই থাকবে, এবং যে কোনও পরিস্থিতির জন্য তৈরি থাকতে হবে, যত দিন পর্যন্ত শান্তি আলোচনা সম্পূর্ণ না হচ্ছে।’’
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
সরাসরি
১৮:৩৭
‘লু-এর সঙ্গে লড়তে হচ্ছে, কিন্তু একটা সভাও বাতিল হয়নি’! নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরের সভা থেকে বলছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা -
১৭:৩৭
‘ভোট পরবর্তী হিংসা’ আসানসোলে! কংগ্রেস প্রার্থীর ঘনিষ্ঠকে পিটিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে -
১৬:৫৩
‘গুন্ডাদের ভয় দেখাই তো দিদি আমার উপর রেগে যান, বলুন কী করব? কোলাকুলি করব?’ শ্যামপুরের সভায় শাহ -
১৬:২২
আমার বিরুদ্ধে ৩৬টি মামলা, ৫৫ ঘণ্টা জেরা করেছে, মমতাজির বিরুদ্ধে কেন একটাও করেননি মোদীজি: রাহুল -
১৬:১৯
কমিশনে ‘ভরসা’ নেই! ডোমকলে স্ট্রংরুম পাহারায় নিজেদের উদ্যোগে সিসি ক্যামেরা বসাল তৃণমূল, বাম, কংগ্রেস