Advertisement
E-Paper

সুইৎজ়ারল্যান্ডে যাওয়ার পথে ট্রাম্পের এয়ারফোর্স ওয়ানে যান্ত্রিক গোলযোগ! ওড়ার কিছু ক্ষণ পরে ফিরল সেনাঘাঁটিতে

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাভোস সফর বাতিল হচ্ছে না। আমেরিকার প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, অন্য বিমানে দাভোস যাবেন তিনি। সেখানে যোগ দেবেন নির্দিষ্ট কর্মসূচিতে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২১ জানুয়ারি ২০২৬ ১০:০৭
ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প। — ফাইল চিত্র।

আমেরিকা থেকে সুইৎজ়ারল্যান্ডের দাভোসের উদ্দেশে ওড়ার কিছু ক্ষণের মধ্যেই আবার ফিরে গেল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এয়ার ফোর্স ওয়ান। হোয়াইট হাউসের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণেই মঙ্গলবার রাতে ওড়ার কিছু ক্ষণ পরে মেরিল্যান্ডের সামরিক ঘাঁটি জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রিউতে ফিরে গিয়েছে বিমানটি। প্রেসিডেন্ট এবং বিমানে সওয়ার বাকিরা নিরাপদেই নেমে গিয়েছেন। তবে এর জন্য ট্রাম্পের দাভোস সফর বাতিল হচ্ছে না। আমেরিকার প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, অন্য বিমানে দাভোস যাবেন প্রেসিডেন্ট।

মঙ্গলবার রাতে (আমেরিকার সময় অনুসারে) এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানে চেপে সুইৎজ়ারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে যাচ্ছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। আচমকাই সেটি ফিরিয়ে এনে অবতরণ করানো হয় মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রিউতে। হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়েছে, উদ্বেগের কোনও কারণ হয়নি। প্রেসিডেন্ট-সহ সওয়ার সকলেই সুরক্ষিত রয়েছেন। সুরক্ষার স্বার্থেই বিমানটি ফেরানো হয়েছে। শীঘ্রই তিনি অন্য বিমানে চেপে দাভোস যাবেন।

পৃথিবীতে সবচেয়ে সুরক্ষিত বিমান হিসাবে ধরা হয় এয়ার ফোর্স ওয়ানকে। সেখানে সামান্য প্রযুক্তিগত ত্রুটি দেখা দিলেই দ্রুত পদক্ষেপ করা হয়। হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গিয়েছে, বিমানটি এখন পরীক্ষানিরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

মঙ্গলবার ডাভোসের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে ট্রাম্প নিজের ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছিলেন, ‘‘দাভোসে আমার মাধ্যমে আমেরিকা প্রতিনিধিত্ব করবে। ঈশ্বর আপনাদের সকলের মঙ্গল করুন।’’ তিনি এ-ও জানিয়েছিলেন, দাভোসে তিনি বেশ কিছু পক্ষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। তিনি লেখেন, ‘‘আমি সকলকেই বলেছিলাম, পৃথিবী এবং জাতীয় সুরক্ষার জন্য গ্রিনল্যান্ড অপরিহার্য। এই ক্ষেত্রে পিছনে ফেরার প্রশ্নই নেই। সকলেই এ বিষয়ে সম্মত হয়েছেন।’’

ডেনমার্কের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ৩০০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ৫৬ হাজার জনসংখ্যার ‘বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ’ প্রায় ৩০০ বছর ধরে কোপেনহাগেন (ডেনমার্কের রাজধানী)-এর নিয়ন্ত্রণে। অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলি পরিচালনা ও উন্নয়ন সংক্রান্ত দায়িত্ব দ্বীপটির স্বায়ত্তশাসিত কর্তৃপক্ষ পালন করেন। আর বিদেশ এবং প্রতিরক্ষানীতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্তগুলি নেয় ডেনমার্ক সরকার। গ্রিনল্যান্ডও চায় আমেরিকা নয়, ওই ভূখণ্ডের উপর ডেনমার্কেরই ‘দখল’ থাকুক। তবে এটা পছন্দ নয় ট্রাম্পের। দাভোসে গিয়ে এই বিষয়েই বিভিন্ন রাষ্ট্রের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করার কথা ট্রাম্পের।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy