Advertisement
E-Paper

আমেরিকার দাবির সঙ্গে বাস্তব ছবির মিল নেই, ইরানের হামলায় মার্কিন সেনাঘাঁটির ছবি অনেক বেশি ধ্বংসাত্মক: রিপোর্ট

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে নামে আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যু হয়।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:৩১
মার্কিন বিমান ধ্বংস ইরানের হামলায়। ছবি: সংগৃহীত।

মার্কিন বিমান ধ্বংস ইরানের হামলায়। ছবি: সংগৃহীত।

পশ্চিম এশিয়ার সামরিক সংঘাতে ইরানের হামলায় মার্কিন সেনাঘাঁটির ক্ষতির ছবি অনেক বেশি ধ্বংসাত্মক। আমেরিকার দাবির সঙ্গে বাস্তবের ছবির কোনও মিল নেই। মার্কিন প্রশাসনের কয়েকটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে এমনই দাবি করা হয়েছে এনবিসি নিউজ-এর প্রতিবেদনে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মোতায়েন করা মার্কিন সমরাস্ত্রও ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর এই ক্ষতি পূরণ করতে কয়েকশো কোটি ডলার খরচ করতে হবে আমেরিকাকে।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে নামে আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যু হয়। তার পর থেকে দুই দেশের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। পশ্চিম এশিয়া বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলিতে বেশ কয়েকটি মার্কিন সেনাঘাঁটি রয়েছে। শুধু তা-ই নয়, সেই দেশগুলিতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও মোতায়েন করে রেখেছে আমেরিকা। কিন্তু এই সামরিক সংঘাতে ইরান একের পর এক মার্কিন সেনাঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। যদিও আমেরিকা বার বারই সেই দাবিকে খণ্ডন করেছে। সেনাঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এ কথা কয়েকটি ক্ষেত্র ছাড়া স্বীকার করতে চায়নি। কিন্তু মার্কিন প্রশাসনের কয়েকটি সূত্র দাবি করেছে, আমেরিকার দাবির সঙ্গে বাস্তবের ছবির ফারাক বিস্তর।

ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাতটি দেশে মার্কিন সোনাঘাঁটি, কমান্ড সেন্টার, যুদ্ধবিমান, থাড-এর মতো সবচেয়ে শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমনকি বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমানকেও গুলি করে নামানোর দাবি করেছে ইরান। যদিও সেই দাবিও খণ্ডন করেছে আমেরিকা। এখনও পর্যন্ত এই সামরিক সংঘাতে কত ক্ষতি হয়েছে, সে সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য প্রকাশ্যে আনেনি আমেরিকা। এমনকি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডও এ বিষয়ে একেবারে মুখে কুলুপ এঁটেছে। প্রসঙ্গত, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন প্রতিরক্ষার বিষয়টি দেখে সেন্ট্রাল কমান্ড।

Advertisement
সংক্ষেপে
  • ইরানের বাহিনী তীব্র প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর সমাজমাধ্যমে নতুন বিবৃতি দিলেন ট্রাম্প। লিখেছেন, ‘‘ওরা নাকি বলেছে প্রত্যাঘাত করবে। সেটা করার সাহস যেন না দেখায়। যদি করে, আমরা এমন আঘাত করব যা আগে কখনও দেখা যায়নি।’’
  • আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হয়েছেন। রবিবার সকালে তেহরান এই সংবাদ নিশ্চিত করেছে। তেহরানের রাস্তায় কান্নার রোল। মহিলারা খামেনেইয়ের ছবি হাতে রাস্তায় নেমেছেন। ইরান জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট-সহ তিন সদস্যের কাউন্সিলের হাতে আপাতত দেশ চালানোর ভার থাকবে।
  • শনিবার সকাল থেকে ইরানের উপর হামলা শুরু করেছিল ইজ়রায়েল। নেতানিয়াহু দাবি করেন, খামেনেই এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ানকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। আমেরিকাও সেই হামলায় ইজ়রায়েলকে সমর্থন করেছে। ইজ়রায়েলি ও মার্কিন বাহিনীর যৌথ হামলায় মুহুর্মুহু ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছে তেহরান-সহ ইরানের বড় শহরগুলিতে। ইরান প্রত্যাঘাত করছে। পশ্চিম এশিয়া জুড়ে যুদ্ধের আবহ।
US
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy