সামরিক পরিভাষায় ‘অ্যাম্ফিবিয়ান অ্যাসল্ট শিপ’। আদতে স্থল এবং জল সমান দক্ষতায় যাতায়াত করতে সক্ষম উভচর সামরিক যান। অপারেশন এপিক ফিউরির চতুর্দশ দিনে এ বার ২৫০০ মেরিন (মার্কিন নৌসেনা)-সহ উভচর যানের বাহিনীকে জাপান থেকে পশ্চিম এশিয়ার অভিমুখে পাঠাল পেন্টাগন।
আমেরিকার কয়েকটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, জাপানের ওকিনাওয়ার মার্কিন নৌঘাঁটি থেকে ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের সদস্যরা ইতিমধ্যেই পশ্চিম এশিয়ায় দিকে রওনা হয়েছে। তাদের সঙ্গে রয়েছে উভচর যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস ত্রিপোলি’। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে সামরিক অভিযান শুরুর আগে জাপান থেকে বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন-সহ চারটি যুদ্ধজাহাজকে উপসাগরীয় অঞ্চলে নিয়ে গিয়েছিল আমেরিকা।
আরও পড়ুন:
পরিস্থিতি দেখে সামরিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ আশঙ্কা করছেন, যুদ্ধ দীর্ঘমেয়াদী হতে পারে আঁচ করে পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থান আরও জোরদার করতে চাইছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরকার। সেই উদ্দেশ্যেই এই পদক্ষেপ। প্রসঙ্গত, যুদ্ধ-পরিস্থিতিতে এমন উভচর যান থেকেই পদাতিক (ইনফ্যান্ট্রি), গোলন্দাজ (আর্টিলারি) এবং ট্যাঙ্ক (আর্মার্ড) ব্রিগেডগুলি স্থলভূমিতে অবতরণ করে। তাই আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মার্কিন বাহিনী পারস্য এবং ওমান উপসাগরের পথে ইরানে গ্রাউন্ড অপারেশন শুরু করতে পারে বলে জল্পনা দানা বেঁধেছে ইতিমধ্যেই।