Advertisement
E-Paper

চিন সফরে গিয়ে পুতিন সই করলেন ২০ চুক্তিতে, জিনপিঙের সঙ্গে বৈঠকে আর কী কী বিষয়ে আলোচনা হল?

চিনের সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট জানিয়েছে, স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলি বাণিজ্য ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা, জ্বালানি, যৌথ গবেষণা ও উদ্ভাবন, গণমাধ্যম ও কৃত্রিম মেধা সম্পদ সুরক্ষা সংক্রান্ত।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২০ মে ২০২৬ ২১:১৬
Vladimir Putin-Xi Jinping meeting in Beijing strengthens China-Russia axis

(বাঁ দিকে) শি জিনপিঙ এবং ভ্লাদিমির পুতিন (ডান দিকে)। ছবি: রয়টার্স।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরে এ বার চিন সফরে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বুধবার বেজিঙের ‘গ্রেট হল অফ দ্য পিপল’-এ দুই রাষ্ট্রনেতার বৈঠকের পরে প্রতিনিধিস্তরের আলোচনার পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বিষয়ক ২০টি চুক্তি সই হয়েছে।

চিনের সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট জানিয়েছে, স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলি বাণিজ্য ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা, জ্বালানি, যৌথ গবেষণা ও উদ্ভাবন, গণমাধ্যম ও কৃত্রিম মেধা সম্পদ সুরক্ষা সংক্রান্ত। দ্বিপাক্ষিক ঐক্য, কৌশলগত সমন্বয় এবং পশ্চিমি আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে একটি অভিন্ন প্রতিরোধের বিষয়ে দুই রাষ্ট্রনেতার ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

পুতিন-জিনপিং বৈঠকের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে। সেগুলি হল—

১. রাশিয়া-চিন ঐতিহাসিক মৈত্রীচুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি— মস্কো-বেজিং বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা চুক্তি ২৫ বছর আগে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। দ্বিপাক্ষিক কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও দৃঢ় করতে তার মেয়াদ বাড়াতে সম্মত হয়েছেন পুতিন-জিনপিং।

২. জ্বালানি সহযোগিতা সম্প্রসারণ— দীর্ঘ আলোচিত ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া ২’ গ্যাস পাইপলাইনের মাধ্যমে মঙ্গোলিয়ার ভূখণ্ড ব্যবহার করে বছরে সর্বোচ্চ ৫০ বিলিয়ন ঘনমিটার প্রাকৃতিক গ্যাস চিনে সরবরাহ করবে রাশিয়ার। যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে রাশিয়াকে তাই ‘বিশ্বস্ত জ্বালানি সরবরাহকারী’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন জিনপিং।

৩. পশ্চিমি সামরিক ও বাণিজ্যিক চাপের বিরুদ্ধে যৌথ অবস্থান— ইউক্রেন ও পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির আবহে সরাসরি আমেরিকা বা পশ্চিম ইউরোপের নাম না নিয়ে যৌথ বিবৃতিতে ‘সামরিক অভিযান’, ‘শাসন পরিবর্তন’ এবং ‘আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল ও সরবরাহ শৃঙ্খলে হস্তক্ষেপে’র নিন্দা জানানো হয়েছে।

৪. প্রযুক্তি ও গবেষণা সহযোগিতা— রাশিয়া-চিন শীর্ষ সম্মেলনে প্রযুক্তি, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, মেধাস্বত্ব এবং শিল্প সহযোগিতা নিয়ে একাধিক চুক্তি হয়েছে। পশ্চিমি প্রযুক্তি ও আর্থিক ব্যবস্থার ওপর নির্ভরতা কমাতে যৌথ গবেষণা ও উৎপাদনের প্রসঙ্গ রয়েছে বিবৃতিতে। রয়েছে বৈদ্যুতিন সামগ্রী এবং কৃত্রিম মেধার প্রসঙ্গও।

৫. মধ্যস্থতাকারী চিন, মানলেন পুতিন— যৌথ বিবৃতিতে ইরান-সহ পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি ফেরাতে চিনের ভূমিকার প্রশংসা করা হয়েছে। অর্থাৎ, মধ্যস্থতাকারী হিসাবে জিনপিঙের ভূমিকাকে কার্যত স্বীকৃতি দিয়েছেন পুতিন।

Vladimir Putin Xi Jinping Russia-China Relation China Visit
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy