E-Paper

সিস্টার নিবেদিতার শিক্ষাদর্শন স্মরণ করে এই প্রতিষ্ঠান পালন করল তাদের অষ্টম প্রতিষ্ঠা দিবস

‘সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি’ তাদের অষ্টম প্রতিষ্ঠা দিবস এবং গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষা এবং সাফল্যের এক বিশেষ অধ্যায় উদ্‌যাপন করল।

এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো

শেষ আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:২৫
‘সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি’-র অষ্টম প্রতিষ্ঠা দিবস

‘সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি’-র অষ্টম প্রতিষ্ঠা দিবস

‘সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি’ তাদের অষ্টম প্রতিষ্ঠা দিবস এবং গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষা এবং সাফল্যের এক বিশেষ অধ্যায় উদ্‌যাপন করল, যেখানে পরপর দু’দিন ২৮টি বিভাগের ২,২৫৬ জনেরও বেশি ছাত্রছাত্রী এবং আটজন পিএইচডি স্কলারকে ডিগ্রি প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ট্রাস্ট সদস্য প্রয়াত পারুল রায়চৌধুরীর স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর ‘সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি’-র অ্যান্থেম, বন্দে মাতরম গাওয়া হয় এবং মূর্ত মহেশ্বর স্তোত্র পাঠ করা হয়।

‘সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি’-র আচার্য সত্যম রায়চৌধুরী বলেন, “একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমাদের দায়িত্ব, প্রতিটি ছাত্রছাত্রীর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় জীবনকে যেন সত্যিই জীবন বদলে দেওয়ার অভিজ্ঞতা করে তোলা যায়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি জ্ঞান, উদ্ভাবন এবং শ্রেষ্ঠত্বের আদর্শে এগিয়ে চলা এক উচ্চশিক্ষা কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য ভবিষ্যতের কথা ভেবে শিক্ষার্থীদের এমনভাবে তৈরি করা, যারা কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত থাকবে এবং সামাজিকভাবে দায়িত্বশীল হবে। প্রযুক্তি, গবেষণা, সৃজনশীলতা এবং মানবিক মূল্যবোধকে একসঙ্গে রেখে আমরা ছাত্রছাত্রীদের দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের জন্য প্রস্তুত করি।”

তিনি সিস্টার নিবেদিতার শিক্ষাদর্শনের কথা স্মরণ করে বলেন যে সিস্টার নিবেদিতার মতে, শিক্ষা মানে শুধু জ্ঞান দেওয়া নয়, মানুষের ভেতর থেকে তার শ্রেষ্ঠত্বকে বের করে আনা। তিনি কারিগরি শিক্ষা এবং উচ্চ গবেষণার গুরুত্বের উপর বিশেষ জোর দিয়েছিলেন।

সত্যম রায়চৌধুরী জানান সিস্টার নিবেদিতা এবং স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয় সকলকে অন্তর্ভুক্ত করা, বিশ্বভ্রাতৃত্ব গড়ে তোলা এবং যুবসমাজকে শক্তিশালী করে তোলার লক্ষ্যে অটল রয়েছে। তিনি স্নাতকদের উদ্দেশ্যে বলেন তাদের চিন্তায় দৃঢ় থাকতে, কাজে বিনয়ী হতে এবং সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকতে।

এই প্রতিষ্ঠানের উপাচার্য অধ্যাপক শঙ্কু বসু বলেন, “গ্র্যাজুয়েশন মানে দায়িত্ব নেওয়া এবং নেতৃত্ব দেওয়ার মাধ্যমে জীবনের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা। ‘সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি’-র অষ্টম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আমরা ‘টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ’-এর চার দশকের বেশি সময়ের ঐতিহ্যকেও উদ্‌যাপন করছি, যা শৃঙ্খলা, ধৈর্য, দূরদৃষ্টি এবং জাতি গঠনের মূল্যবোধে গড়ে উঠেছে। বর্তমানে সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটিতে ১০,০০০-এর বেশি ছাত্রছাত্রী, ৫৫০ জন শিক্ষক, ১৮০ জন গবেষক, ৭টি স্কুল, ২৮টি বিভাগ, ১০টি সেন্টার অফ এক্সেলেন্স এবং ১৫৬টি অ্যাকাডেমিক প্রোগ্রাম রয়েছে।”

তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন এই প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য শুধু ছাত্রছাত্রীদের কর্মক্ষেত্রের জন্য তৈরি করা নয়, বরং ভবিষ্যৎ জীবনের জন্যও তৈরি করা। এআই-এর যুগে প্রযুক্তি বদলাবে কিন্তু কোনও মানুষের চরিত্র, সততা এবং সৃজনশীলতা একই থাকবে। তিনি বর্তমান বছরের স্নাতকদের অভিনন্দন জানিয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে চলতে, বিনয়ী থেকে নেতৃত্ব দিতে এবং সততার সঙ্গে কাজ করতে পরামর্শ দেন।

এই প্রতিবেদনটি ‘সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি’র সঙ্গে আনন্দবাজার ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো দ্বারা যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।

Sister Nivedita University Graduation Ceremony Foundation Day

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy