E-Paper

বাড়ছে বিক্রি, জ্বালানি সঙ্কটে বৈদ্যুতিন গাড়ির দিকে নজর গ্রাহকের

চন্দ্র জানান, মূলত ১৫ লক্ষ টাকার কম দামের বৈদ্যুতিক গাড়ির চাহিদা কয়েক গুণ বেড়েছে। এখন মোট বিক্রীত চার চাকার প্রায় ৫% বৈদ্যুতিক।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ২৯ মে ২০২৬ ১০:০৫
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের কারণে গত মার্চ থেকে বৈদ‍্যুতিক গাড়ির চাহিদা দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে। বৃহস্পতিবার টাটা মোটরসের যাত্রিবাহী যান বিভাগের সিইও শৈলেশ চন্দ্র জানান, মূলত জ্বালানি সঙ্কটই এর কারণ। যা বৈদ্যুতিক গাড়ির চাহিদাকে আড়াই গুণ পর্যন্ত ঠেলে তুলেছে। সে কথা মাথায় রেখে আগামী ৩-৪ মাসের মধ‍্যে সংস্থা এ ক্ষেত্রে তাদের উৎপাদন ক্ষমতা ৫০% পর্যন্ত বৃদ্ধির পরিকল্পনা করেছে। চন্দ্রের বার্তা, বর্তমানে মাসে প্রায় ১০ হাজার বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরি করে টাটা গোষ্ঠী। সেই সংখ্যাটা বাড়িয়ে ১৫-১৬ হাজার করার পরিকল্পনা। গত মার্চ থেকে যুদ্ধের কারণে যে হারে এই গাড়ির বুকিং বাড়ছে, তাতে অবিলম্বে উৎপাদন না বাড়ালে পাল্লা দেওয়া মুশকিল।

চন্দ্র জানান, মূলত ১৫ লক্ষ টাকার কম দামের বৈদ্যুতিক গাড়ির চাহিদা কয়েক গুণ বেড়েছে। এখন মোট বিক্রীত চার চাকার প্রায় ৫% বৈদ্যুতিক। এই হারে চাহিদা বাড়লে চলতি অর্থবর্ষের মধ‍্যে তা ৮-১০ শতাংশে পৌঁছতে পারে। তবে শুধু নিজের সংস্থা নয়, বাজারের সার্বিক চাহিদা মেটাতে অন‍্য সংস্থাগুলিকেও কম দামের বৈদ্যুতিক গাড়ি আরও বেশি করে আনতে হবে বলেই মনে করছেন তিনি। খুচরো বাজারে গাড়ি বিক্রেতাদের সংগঠন ফাডার তথ্য বলছে, এপ্রিলে দেশে ২৩,৫০০টির মতো বৈদ্যুতিক চার চাকা বিকিয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় ৭৫% বেশি।

গাড়ি শিল্পের দাবি, তেল আমদানি কমাতে এবং দূষণ রোধে সরকার রাস্তায় পুরোদস্তুর বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যবহারের পক্ষে সওয়াল করছে বহু দিন ধরেই। কিন্তু অপ্রতুল পরিকাঠামো সেই পথে বাধা হয়েছে। এখন ব্যাটারি বদল, যন্ত্রাংশ সারাই বা ব্যাটারি চার্জ করার পরিকাঠামো ক্রমশ বাড়ছে। তার উপর পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের জেরে দামি হতে থাকা তেলকে এড়িয়ে চলতে চাইছেন অনেকেই। ফলে বিক্রি বাড়ছে বৈদ্যুতিকের। ঠিক যে ভাবে রান্নার গ্যাসের বিকল্প হিসেবে জায়গা করে নিচ্ছে ইন্ডাকশন। পরিবেশের কথা মাথায় রেখে বৈদ্যুতিক গাড়ির পাশাপাশি, সিএনজি চালিতগুলিও আরও বেশি করে আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। চলতি বছর টাটা মোটরস মোট গাড়ির ১৫% বৈদ্যুতিক এবং ২৫% সিএনজি চালিত গাড়ি তৈরির লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে,জানান শৈলেশ।

তাঁর আরও দাবি, ইথানল মিশ্রিত পেট্রল প্রয়োজনীয় হলেও, আরও সময় নিয়ে এবং পরিকল্পনা করে এই ধরনের বিকল্প জ্বালানি আনা উচিত। অন‍্যথায় ব্যবস্থার উপর আঘাত আসতে পারে। শৈলেশ জানান, পরিবেশের কথা মাথায় রাখলে উঁচু মাত্রায় ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি প্রয়োজন। কিন্তু তাতে গাড়ির স্বাস্থ্যের যাতে কোনও ক্ষতি না হয়, সেটাও দেখতে হবে। তার পরে নিতে হবে সাফল্যের উড়ান।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Electric vehicles

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy