E-Paper

আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তিতে স্বস্তি, মেঘ কাটল ডোমজুড়ের অলঙ্কার শিল্পে

ডোমজুড়ের গয়না ব্যবসায়ীদের দাবি, এখানে মূলত সোনা ও হিরের গয়না তৈরি হয়। যার বড় অংশ যায় আমেরিকায়। সেখানে এগুলির শুল্ক ৬% থেকে বেড়ে ৫০% হওয়ায় রফতানি বন্ধ হয়েছিল।

নুরুল আবসার

শেষ আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:০৮

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

আমেরিকায় রফতানির পথ বন্ধ হয়েছিল চড়া শুল্কে। গত কয়েক মাসে ভরসা ছিল শুধু ইটালি। অবশেষে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার পাশাপাশি আমেরিকা শুল্ক কমানোয় কিছুটা স্বস্তিতে হাওড়া ডোমজুড়ের অলঙ্কার ব্যবসায়ীরা। ডোমজুড় স্বর্ণ ও রৌপ্য শিল্পী সমিতির সভাপতি তথা রাজ্য সরকারের এক্সপোর্ট প্যানেল অ্যাডভাইসার বোর্ডের সদস্য সৈকতকুমার দেব বলেন, ‘‘শুল্ক কমতেই রফতানির জন্য মুম্বই থেকে বড় ব্যবসায়ীরাযোগাযোগ শুরু করেছেন। মেঘ কাটার ইঙ্গিত পাচ্ছি।’’

ডোমজুড়ের গয়না ব্যবসায়ীদের দাবি, এখানে মূলত সোনা ও হিরের গয়না তৈরি হয়। যার বড় অংশ যায় আমেরিকায়। সেখানে এগুলির শুল্ক ৬% থেকে বেড়ে ৫০% হওয়ায় রফতানি বন্ধ হয়েছিল। আমেরিকার পরে ভারতীয় গয়নার বড় বাজার ইটালি। কিন্তু সেখানেও মার খাচ্ছিলেন বহু ব্যবসায়ী। এ বার আমেরিকা শুল্ক ছাঁটায় বিক্রি বাড়বে। কাটা-পালিশ করা হিরে ও রঙিন পাথরে শুল্ক শূন্য হয়েছে। সোনা, হিরের গয়নায় ২৪%।

দেশের ৭৫টি জেলার ‘রফতানিযোগ্য পণ্য’ চিহ্নিত করেছিল কেন্দ্র। তাতে হাওড়ার অলঙ্কার ‘এক জেলা এক পণ্য’ স্বীকৃতি পায়। ব্যবসায়ীদের দাবি, মূলত ডোমজুড়ের জন্যই এই স্বীকৃতি। এর ফলে বাণিজ্যে অনেক সুবিধা মেলে। এখানেই অঙ্কুরহাটিতে রয়েছে জেমস্‌ অ্যান্ড জুয়েলারি পার্ক। অন্তত ৫০,০০০ কারিগর কাজ করেন। ট্রাম্প-শুল্ক কাজ কমিয়েছিল। তবে ‘মেঘ কাটা’র ইঙ্গিত পেলেও ডোমজুড়ের ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, সোনার দামের ওঠানামা বন্ধ হওয়া জরুরি।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

US Tariff War domjur Jewellery Shops

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy