E-Paper

চালু হচ্ছে সিম বাইন্ডিং, বার্তা-অ্যাপের নতুন নিয়মে আপত্তি

চিঠিতে অভিযোগ, ‘সিম বাইন্ডিং’ অসাংবিধানিক। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার এক্তিয়ার নেই কেন্দ্রের। সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলা হলে নিয়মমাফিক জালিয়াতি রোখার পদক্ষেপ করা যেত।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:০৩

ছবি: সংগৃহীত।

কাল থেকে দেশে ওয়টস্যাপ, লাইন, শেয়ারচ্যাট, হ্যাংআউট, টেলিগ্রাম, সিগন্যাল-সহ সমস্ত ওটিটি ভিত্তিক মেসেজিং বা বার্তা-অ্যাপে ‘সিম বাইন্ডিং’ চালু হচ্ছে। যার অর্থ, ওই সব অ্যাপ একটি ফোনে যে সিমে এক বার ডাউনলোড করা হবে, সেটিতেই শুধু চলবে। ওই ফোনে অন্য সিমে কাজ করবে না। টেলিকম দফতরের (ডট) দাবি, এর লক্ষ্য ডিজিটাল জালিয়াতি এবং তথ্য চুরি আটকানো। তবে আপত্তি তুলেছে মেটা, গুগ্‌লের মতো সংস্থা। তাদের সংগঠন ‘ব্রডব্যান্ড ইন্ডিয়া ফোরাম’ নির্দেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলে চিঠি দিয়েছে ডট-কে।

চিঠিতে অভিযোগ, ‘সিম বাইন্ডিং’ অসাংবিধানিক। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার এক্তিয়ার নেই কেন্দ্রের। সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলা হলে নিয়মমাফিক জালিয়াতি রোখার পদক্ষেপ করা যেত। উল্লেখ্য, নভেম্বরে ডট নির্দেশ দেয়, ৯০ দিনের মধ্যে সব ওটিটি মেসেজিং অ্যাপকে এটি চালু করতে হবে। না হলে পড়তে হবে শাস্তির মুখে। সম্প্রতি টেলিকমমন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াও জানান, তাচালু হবেই। কারণ, এ ধরনের অ্যাপের মাধ্যমে বহু মানুষ প্রতারিত হন।

ভোডাফোন, জিয়ো, এয়ারটেলের মতো টেলি সংস্থার সংগঠন সিওএআইএই প্রযুক্তি চালুর আর্জি জানিয়েছিল। সংগঠনের কর্তা এস পি কোছরের মতে, সিম খুলে নিলেও যদি সেই ফোন থেকে দুষ্কর্ম করা হয়, তা আটকানো মুশকিল। তাই ‘সিম বাইন্ডিং’ জরুরি।

সিম-বাইন্ডিং কী

এক ফোনে এক বার মেসেজিং অ্যাপ (টেলিগ্রাম, ওয়টস্যাপ, সিগন্যাল ইত্যাদি) ডাউনলোড করলে, সেই সিম ছাড়া অ্যাপটি ওই ফোনে আর চলবে না। অর্থাৎ ফোনের মাধ্যমে অ্যাপের সঙ্গে সিমকে বেঁধে রাখার নিয়ম।

কাল থেকে চালু।

প্রায় সব ব্যাঙ্কিং অ্যাপে এই প্রযুক্তি রয়েছে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Sim Sim Binding Security

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy