সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

সম্পাদক সমীপেষু: বিষাক্ত আগাছা

parthenium
পার্থেনিয়াম গাছ।

মেদিনীপুর শহরের প্রাণকেন্দ্রে রয়েছে জেলার প্রধান প্রশাসনিক কার্যালয় জেলা পরিষদ। ওই চত্বরে বেশ কয়েক বছর আগে নবরূপে সুসজ্জিত হয়েছে প্রদ্যোৎ স্মৃতি সদন হল। হলের প্রবেশমুখের ভিতরের দিকের ফাঁকা জায়গা বিষাক্ত পার্থেনিয়ামে ভরে গিয়েছে। প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের  হয় ভবনটি।

পার্থেনিয়াম দেশীয় নয়। এর আদি নিবাস উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা। মার্কিন কংগ্রেসের পাবলিক ল’ ৪৮০-র ভিত্তিতে বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোয় খাদ্যশস্য পাঠানো হত। ১৯৪৫ সালে ভারত যখন খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়নি, তখন আমেরিকা থেকে গম পাঠানো হত। গমের মাধ্যমেই ভারতে প্রবেশ করে এই বিষাক্ত পার্থেনিয়াম। পশ্চিমবঙ্গে এর দেখা মেলে ডানকুনি রেলইয়ার্ডে ১৯৭৫ সালে।

ভারতে রাজস্থান বাদ দিয়ে সব ক’টি রাজ্যে এই বিষাক্ত পার্থেনিয়ামের প্রাদুর্ভাব রয়েছে।

পার্থেনিয়ামের ফুলের রেণুতে রয়েছে ‘সেস্কুইটার্পিন ল্যাকটোন’ জাতীয় বিষাক্ত পদার্থ ‘পার্থেনিন’। এ ছাড়াও রয়েছে বিষাক্ত রাসায়নিক অ্যাসিড, যা ক্ষতস্থানে রক্তের সঙ্গে মিশে চর্মরোগ সৃষ্টি করতে পারে। সহজেই এই আগাছা নির্মূল করা যায়। ১ লিটার জলে ১৫০ গ্রাম লবণ মিশিয়ে গাছের উপর ছড়িয়ে দিলে গাছটি মারা যায়। পরে ওই আগাছা পুড়িয়ে দিতে হয়।

নরসিংহ দাস

রবীন্দ্রনগর, মেদিনীপুর শহর

টাকা নেই!

হাইকোর্ট ও স্যাট বার বার আদেশ দিলেও মুখ্যমন্ত্রী বকেয়া মহার্ঘভাতা দেওয়ার ব্যাপারে উচ্চবাচ্য করছেন না। আদালত অবমাননার পরিস্থিতি তৈরি হলেও কর্ণপাত করছেন না। অর্থমন্ত্রী এমন ভাব করছেন, যেন করোনাকালে মাইনে বা পেনশন দিচ্ছেন— এই ঢের। মনে রাখা দরকার, মাইনে বা পেনশন রাজ্য সরকারের দান-খয়রাতি নয়, কর্মচারীদের অর্জিত অধিকার। কর্মের বিনিময়ে, মেধার বিনিময়ে প্রাপ্ত। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশানুসারে পুজো কমিটিগুলোকে সরকারি সাহায্য দিতে ১৮৫ কোটি টাকা খরচ হবে। অথচ, মহার্ঘভাতা দিতে রাজকোষে টাকা থাকে না!

চন্দন চট্টোপাধ্যায়

ভদ্রকালী, হুগলি

ডিজিটাল

করোনার সংক্রমণ এড়াতে জরিমানার টাকা পুলিশ এখন থেকে হাত দিয়ে স্পর্শ করবে না। চালককে বলবে সরাসরি তা নির্দিষ্ট একটি ব্যাগে জমা দিতে। পদ্ধতিটির অসুবিধে হল, অনেকে এই সুযোগে ছেঁড়াফাটা, জাল টাকাও ব্যাগে দিয়ে দিতে পারেন। যদি ডিজিটাল লেনদেনের ব্যাপক প্রচলন থাকত, তা হলে সমস্যা হত না। ভারতের অনেক রাজ্য ২০১৪ সাল থেকেই নানা অ্যাপের মাধ্যমে লেনদেনে রাজ্যবাসীকে উৎসাহিত করেছে। সবজি, মাছ, মুদির দোকান, অটোওয়ালাও সেখানে অ্যাপের সাহায্যেই লেনদেন করেন। ছোট-বড় সব শহরে ক্রেতা-বিক্রেতারা নগদ ব্যবহার স্বাভাবিক কারণেই করতে চাইছেন না। সারা দেশে ডিজিটালের চাহিদা তাই তুঙ্গে। রাজ্য সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা আর একটু বাড়লে এ রাজ্যের মানুষ আরও উৎসাহিত হবেন এই বিষয়ে। এতে নোংরা টাকা, জাল নোট, খুচরো সমস্যা মিটবে। অবৈধ লেনদেনও অনেক কমে যাবে।

স্বপন কুমার ঘোষ

কলকাতা-৩৪

ক্ষতিকর রং

সাধারণ মানুষ দৈনন্দিন জীবনে খাদ্যদ্রব্য হিসেবে যা গ্রহণ করেন, তার বেশির ভাগই ক্ষতিকারক রঙের প্রয়োগে অগ্রহণযোগ্য হয়ে দাঁড়াচ্ছে। স্থানীয় ভাবে উৎপাদিত খাদ্যদ্রব্য থেকে শুরু করে প্যাকেজড ফুড পর্যন্ত সমস্ত কিছুতে ক্ষতিকর রং ও রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে। রঙের প্যাকেটগুলো পরীক্ষা করলে দেখা যাবে তাতে বিধিসম্মত ভাবে লেখা আছে যে, মানুষের ব্যবহারযোগ্য নয়। তবুও আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বিষ রং চানাচুর, কাঠিভাজা, ঘুগনির মতো খাবারেও ব্যবহার করা হচ্ছে।

আগে খাদ্য দফতরের আধিকারিকরা অতর্কিতে বিভিন্ন বাজার পরিদর্শন করতেন এবং খাদ্যদ্রব্য পরীক্ষা করে গুণাগুণ বিচার করতেন। ইদানীং এই ধরনের পরিদর্শন এবং নজরদারির অভাব দেখা দিয়েছে। আবেদন, জনস্বার্থে খাদ্যসুরক্ষার প্রতি সরকারি নজরদারি অবিলম্বে বাড়ানো হোক।

দেবাশিস চক্রবর্তী

মাহেশ, হুগলি

তবুও বিল এল

গত ২০ মে আমপানের তাণ্ডবে আমার ল্যান্ডলাইন পরিষেবা বিঘ্নিত হয়! বিএসএনএল আজও সেই পরিষেবা শুরু করেনি! নির্দিষ্ট নম্বরে অভিযোগও জানিয়েছি! তার পরেও বিএসএনএল কর্তৃপক্ষ বিল পাঠিয়েছেন এবং আমি তা পরিশোধ করেছি! এই মাসেও বিল আসার কথা। তবে আমি আর বিল পরিশোধ করব না! এই যে চার মাস ল্যান্ডলাইন পরিষেবা পেলাম না, অথচ বিল পরিশোধ করলাম, তার দায় কি বিএসএনএল কর্তৃপক্ষ নেবেন?

পিনাকী চৌধুরী

কলকাতা-৬১

অনলাইন কেন?

দিন দিন কাগজপত্রের গুরুত্ব কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কাজ হচ্ছে অনলাইনে। কিন্তু কোনও কাজের ক্ষেত্রে তা সম্পূর্ণ ভাবে অফলাইন হওয়া বা কাগজপত্রের মাধ্যম বন্ধ করা কি আইনত যুক্তিযুক্ত? সম্পূর্ণ অনলাইন কার্য পরিচালনার ক্ষেত্রে গ্রাহকের কাছে একটি মোবাইল নম্বর ও ফোন থাকা প্রয়োজন। কোথাও কি নাগরিকদের বাধ্যতামূলক মোবাইল নম্বর বা ফোন রাখার আইন রয়েছে? যদি না থাকে, তবে সরকারি কাজে গ্রাহকদের পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে অনলাইনের সঙ্গে বিকল্প হিসেবে কাগজপত্রের মাধ্যমও রাখা উচিত।

গণেশ দে

বিষ্ণুপুর, বাঁকুড়া

সেই বার্তা

লকডাউন এখন নেই, চলছে আনলক পর্ব। এখন প্রতিটি মানুষ করোনাভাইরাস সম্পর্কে অবগত। পরিবর্তন এসেছে প্রতি দিনের জীবনে। কিন্তু পরিবর্তন আসেনি মোবাইলের কলারটিউনে। কাউকে ফোন করতে গেলেই শুনতে হচ্ছে করোনাভাইরাস নিয়ে সতর্কবার্তা, ৩০-৩৫ সেকেন্ডের বেশি সময় ধরে। এই যন্ত্রণা আর সহ্য হচ্ছে না।

অমিত দাস

কৃষ্ণনগর, নদিয়া

বাঁচার প্রমাণ

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি বছর নভেম্বর মাসে রাজ্য সরকারি পেনশনারদের লাইফ সার্টিফিকেট জমা দিতে হয়। ব্যাঙ্কে এই সময় খুব ভিড় হয়। এই বছর বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানো বা বাড়িতে বসেই সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার মতো ব্যবস্থা করলে তাঁরা উপকৃত হবেন।

প্রদ্যুৎ কুমার দাস

পূর্ব বর্ধমান

আতঙ্ক

‘সর্পাঘাত’ (৩-১০) চিঠির জন্য ধন্যবাদ। ঘুমের মধ্যে সর্পাঘাতে মৃত্যুর খবর প্রায় প্রতি দিনই পাওয়া যাচ্ছে। আমার বাড়ির অনতিদূরেই মৃত্যু হয়েছে এক ব্যক্তির। তাঁদের মাটির বাড়ি ছিল না, দালান বাড়ি। কিন্তু পাশের একটি পোড়ো বাড়িতে সাপের বাসার হদিশ মেলে। আজকাল আতঙ্কের মধ্যে ঘুমোই। অ্যাসিড আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির পর থেকে বাজারে অ্যাসিড সহজে পাওয়া  যায় না। ব্লিচিং পাউডার এই ক্ষেত্রে যথেষ্ট নয়।

তান্তু রক্ষিত

করোরী, পূর্ব বর্ধমান

 

চিঠিপত্র পাঠানোর ঠিকানা

সম্পাদক সমীপেষু,

৬ প্রফুল্ল সরকার স্ট্রিট,

কলকাতা-৭০০০০১।

ইমেল: letters@abp.in

যোগাযোগের নম্বর থাকলে ভাল হয়। চিঠির শেষে পুরো ডাক-ঠিকানা উল্লেখ করুন, ইমেল-এ পাঠানো হলেও।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন