Advertisement
E-Paper

এডুটেক সংস্থাকে অতিরিক্ত অর্থ পাইয়ে দেওয়ার হয়েছিল! সিবিএসসি-র বিরুদ্ধে অভিযোগ

অভিযোগ, অন স্ক্রিন মার্কিং (ওএসএম) প্রজেক্টের জন্য যতটা কাজ করার কথা ছিল কোএম্পট এডুটেক-এর, তার তুলনায় অনেক বেশি অর্থ বরাদ্দ করেছিল সিবিএসই।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬ ১০:৪১

ছবি: সংগৃহীত।

ডিজিটাল পদ্ধতিতে মূল্যায়নের জন্য অতিরিক্ত টাকা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ সিবিএসই-র বিরুদ্ধে। কোএম্পট এডুটেক-কে বরাত পাইয়ে দেওয়ার পাশাপাশি নির্ধারিত মূল্যের অনেক বেশি টাকাই দেওয়া হয়েছিল বোর্ডের তরফে, দাবি এমনই।

অভিযোগ, প্রথম দু’টি দরপত্রে অন স্ক্রিন মার্কিং (ওএসএম) প্রজেক্টের জন্য সম্ভাব্য খরচ হিসাবে ২৮ কোটি টাকার উল্লেখ করা হয়েছিল। কিন্তু কোএম্পট এডুটেক-কে বরাত দেওয়ার পর সেই অর্থের পরিমাণ বেড়ে হয় ৩৬.৪৬ কোটি টাকা। দরপত্রে দেওয়া কাজের পরিমাণের সঙ্গে বরাদ্দ অর্থের কোনও সামঞ্জস্য ছিল না বলেই অভিযোগ।

হিন্দুস্তান টাইমস-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১ কোটি উত্তরপত্রের মধ্যে ৪২ লক্ষ খাতা স্ক্যান এবং মূল্যায়ন করা হয়েছিল। তাতে খরচ হয়েছিল ২৫.৩৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ ওই সংস্থা বরাদ্দ কাজের খুব সামান্যই সম্পূর্ণ করেছিল। প্রশ্ন উঠছে, বরাদ্দ অর্থের মূল্যের থেকে বেশি পাওয়ার পরও কেন কাজ অসম্পূর্ণ রাখা হল? কেন তড়িঘড়ি মূল্যায়ন প্রক্রিয়া শেষ করতে চেয়েছিল সিবিএসই?

এই প্রসঙ্গে লোকসভার স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকেও প্রশ্ন তুলেছিলেন কংগ্রেস সাংসদ দিগ্বিজয় সিংহ। তিনি এক্স হ্যান্ডলে এ-ও জানিয়েছেন, ওএসএম প্রজেক্টের প্রথম প্রস্তাবনায় যে রোবোটিক স্ক্যানার ব্যবহারের উল্লেখ করা হয়েছিল, তা ব্যবহারই করা হয়নি। তার বদলে সাধারণত স্ক্যানিং মেশিন ব্যবহার করা হয়েছিল। বিতর্কিত সংস্থাকে বিশেষ সুবিধা পাইয়ে দিতেই এই পরিবর্তন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ।

খাতা পুনর্মূল্যায়নের জন্য নতুন করে যে পোর্টাল চালু করা হয়েছে, তা রক্ষণাবেক্ষণের এবং সুরক্ষার দায়িত্বে সিবিএসই-র নিজস্ব ডেভেলপার, ডিজিটাল ইন্ডিয়া কর্পোরেশন, আইআইটি মাদ্রাজ এবং আইআইটি কানপুরের বিশেষজ্ঞরা রয়েছেন। জানা গিয়েছে, পাঁচ দফায় ওই পোর্টালটিকে সাইবার সুরক্ষা সংক্রান্ত পরীক্ষা করার পর পড়ুয়াদের জন্য তা চালু করা হয়েছিল।

সিবিএসই সূত্রে খবর, ডিজিটাল পদ্ধতিতেই খাতা স্ক্যান করে ওই পোর্টালের মাধ্যমে নম্বর দেওয়া হবে। তবে, পরীক্ষার্থী আগের বার কত নম্বর পেয়েছিলেন, তা এ বারের পরীক্ষক জানতে পারবেন না। এতে মূল্যায়ন প্রক্রিয়া স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পূর্ণ করা সম্ভব হবে। এখনও পর্যন্ত নতুন করে পুনর্মূল্যায়নের জন্য প্রায় ৫৬ হাজার আবেদন পোর্টালে জমা পড়েছে। দ্রুত যাতে কাজ সম্পূর্ণ করা যায়, তার চেষ্টা করছে বোর্ড।

CBSE 2026 CBSE Class 12 Results
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy