Advertisement
E-Paper

দ্বাদশের পর রাষ্ট্রবিজ্ঞান! শিক্ষকতা ছাড়া আর কোন কোন পেশায় রয়েছে পেশাগত সুযোগ?

স্নাতকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে মেজর হিসাবে নির্বাচন করতে অন্তত ৫৫ শতাংশ নম্বর নিয়ে দ্বাদশ উত্তীর্ণ হওয়া প্রয়োজন। এর পর মিলবে স্নাতকোত্তরের সুযোগ। সে ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত প্রবেশিকায় উত্তীর্ণ হতে হয়।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ মে ২০২৬ ০৮:৫৯
রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে পড়ার খুঁটিনাটি।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে পড়ার খুঁটিনাটি। — প্রতীকী চিত্র।

রাজনীতির ইতিহাস থেকে সংবিধানের খুঁটিনাটি শেখায় রাষ্ট্রবিজ্ঞান। উচ্চতর শিক্ষা ক্ষেত্রে কী ভবিষ্যৎ এই বিষয়ের! পেশাগত কোন দিকগুলি খোলা রয়েছে?

রাষ্ট্রবিজ্ঞান সমাজবিজ্ঞানের এমন একটি বিষয়, যা থেকে ক্ষমতা ও রাজনীতির খুঁটিনাটি জানা যায়। দেশীয় বা আন্তর্জাতিক, রাজ্য থেকে স্থানীয় স্তরে সরকারি বা প্রশাসনিক কাঠামো কেমন হওয়া উচিত— সব নিয়ে বিশদ জানা যায় এই বিষয়টি নিয়ে পড়াশোনা করলে।

যোগ্যতা

স্নাতকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে মেজর হিসাবে নির্বাচন করতে অন্তত ৫৫ শতাংশ নম্বর নিয়ে দ্বাদশ উত্তীর্ণ হওয়া প্রয়োজন। এর পর মিলবে স্নাতকোত্তরের সুযোগ। সে ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত প্রবেশিকায় উত্তীর্ণ হতে হয়। পিএইচডি করার জন্য ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি অথবা স্টেট এলিজিবিলিটি টেস্ট উত্তীর্ণ হতে হয়।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান মেজর নিলে মাইনর কোন কোন বিষয় নেওয়া ভাল

প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ের অধ্যাপক জ়াদ মামুদ জানাচ্ছেন, ইতিহাস, সমাজবিদ্যা, মনোবিদ্যা-সহ বিজ্ঞানের বেশ কয়েকটি বিষয়ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সঙ্গে পড়লে সুবিধা হয় ভবিষ্যতের জন্য। গণিত, অর্থনীতি এবং মাল্টি ডিসিপ্লিনারি বিষয়গুলিও রাখা যেতে পারে।

পেশাগত সুযোগ কী কী

বিষয় সম্পর্কিত জ্ঞান অর্জনের পর শুধুমাত্র যে এই বিষয়ে শিক্ষকতা বা অধ্যাপনা করারই সুযোগ রয়েছে এমনটা নয়। প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বলছেন, “দেশের বাইরেও চাকরি পাওয়া সম্ভব। বহু সংস্থায় পরামর্শদাতা পদে নিয়োগ করা হয়।”

রাষ্ট্রবিজ্ঞান পড়ে শিক্ষার্থীরা আরও একটি পেশা বেছে নিতে পারেন, সেটি হল সিভিল সার্ভিস। রাজ্য ও কেন্দ্রীয় স্তরে দু’ধরনের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় স্তরের আইএএস, আইপিএস ও আইএফএস পরীক্ষার জনপ্রিয়তা বিপুল। জাতীয় স্তরে যে পরীক্ষার মাধ্যমে এই পদগুলিতে নিয়োগ করা হয়, তা হল ইউপিএসসি পরীক্ষা এবং রাজ্যস্তরে ডাব্লিউবিসিএস এবং পিএসসি পরীক্ষা।

স্নাতকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে পড়ে পড়ুয়ারা এর পর আইন সংক্রান্ত পেশাতেও যেতে পারেন। যে হেতু, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বিষয়গুলি আইনি বিষয়ের সঙ্গে অনেকটাই সম্পর্কিত, তাই এই বিষয়টি পড়ার ক্ষেত্রেও বিশেষ সুবিধা হয় শিক্ষার্থীদের।

সংবাদপত্র, গণমাধ্যমেও রয়েছে সুযোগ। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক পড়ুয়ারা রাজনৈতিক নানা বিষয়ের সঙ্গে আগে থেকেই পরিচিত হওয়ার কারণে এই রাজনৈতিক খবরগুলি সহজেই বুঝতে বা বিশ্লেষণ করতে পারেন।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান পড়ে এই পেশাগুলি ছাড়াও রাজনৈতিক বিশ্লেষক, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, এডুকেশন পলিসি অ্যানালিস্ট, মার্কেট রিসার্চ অ্যানালিস্ট, আইনসভায় সহকারী-সহ নানা পদেই চাকরির সুযোগ রয়েছে।

Political Science
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy