ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ফার্মাসিতে পিএইচডি করতে চাইলে খোঁজ নেওয়া যেতে পারে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। চলতি বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে শুরু করা হয়েছে পিএইচডি-র রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া। সম্প্রতি এই মর্মে বিশদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অধীনস্থ যে বিভাগগুলিতে পিএইচডি-র জন্য আবেদন করা যাবে, সেগুলি হল— আর্কিটেকচার, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, কনস্ট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, ফুড টেকনোলজি অ্যান্ড বায়োকেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইনফরমেশন টেকনোলজি, ইনস্ট্রুমেন্টেশন অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, মেটালার্জিক্যাল অ্যান্ড মেটিরিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং, ফার্মাসিউটিক্যাল টেকনোলজি, পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রিন্টিং ইঞ্জিনিয়ারিং এবং প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং। বিভিন্ন বিভাগে আসনসংখ্যার পরিমাণ ভিন্ন। আবেদনের জন্য পড়ুয়াদের ইঞ্জিনিয়ারিং, আর্কিটেকচার, ফার্মাসি অথবা টেকনোলজিতে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর উত্তীর্ণ বা সমতুল যোগ্যতা থাকতে হবে। বাকি প্রয়োজনীয় যোগ্যতা জানতে মূল বিজ্ঞপ্তিটি দেখে নিতে হবে।
আরও পড়ুন:
পিএইচডিতে ভর্তির জন্য পড়ুয়াদের লিখিত পরীক্ষা এবং ইন্টারভিউতে উত্তীর্ণ হতে হবে। তবে লিখিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে ছাড় পাবেন বিভিন্ন জাতীয় স্তরের ফেলোশিপ প্রাপক এবং ইউজিসি-নেট, সিএসআইআর-নেট, গেট, জিপ্যাট-সহ অন্যান্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণেরা। সে ক্ষেত্রে তাঁদের শুধু ইন্টারভিউয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে।
আবেদন করবেন কী ভাবে?
প্রথমে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে যেতে হবে। ‘হোমপেজ’ থেকে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তিটি পাওয়া যাবে। সেখানে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আবেদনপত্র এবং প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হবে। পাশাপাশি আবেদনমূল্য জমা দিতে হবে। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ৩০ মার্চ। এই সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এবং শর্তাবলি যাবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটটি দেখে নিতে হবে।