Advertisement
E-Paper

ন্যানো সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি নিয়ে পড়তে হলে কোথায় পড়বেন? কী পড়তে হয়? রইল খুঁটিনাটি

স্কুল স্তর অতিক্রমের পর ন্যানো সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি নিয়ে পড়া যায় কী ভাবে, দেশের কোন কোন প্রতিষ্ঠানে এ বিষয়ে পড়ানো হয়— সে সবই আলোচনা করা হল এই প্রতিবেদনে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ০৮:৫৯
ন্যানো সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি পড়ার খুঁটিনাটি।

ন্যানো সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি পড়ার খুঁটিনাটি। ছবি: সংগৃহীত।

এ ব্রহ্মাণ্ডে অতি ক্ষুদ্র কণা রয়েছে যা খালি চোখে, এমনকি সাধারণ মাইক্রোস্কোপেও তার হদিস পাওয়া সম্ভব নয়। এগুলি পর্যবেক্ষণের জন্য প্রয়োজন হয় বিশেষ শক্তিশালী ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপের। বিশ্বজুড়ে গবেষকরা পদার্থের এই অতি ক্ষুদ্র স্তর বা ‘ন্যানো স্কেল’ নিয়ে নিরন্তর গবেষণা করে চলেছেন। আর এই অবিশ্বাস্য রকমের ক্ষুদ্র জগৎ নিয়ে বিজ্ঞানের যে শাখায় চর্চা করা হয়, তাকেই বলা হয় ন্যানো সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি।

দ্বাদশের পর কী ভাবে ন্যানো সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি নিয়ে পড়া যায়, দেশের কোন কোন প্রতিষ্ঠানে এ বিষয়ে পড়ানো হয়— সে সবই আলোচনা করা হল এই প্রতিবেদনে।

উচ্চমাধ্যমিকের পর সরাসরি ন্যানোটেকনোলজি নিয়ে ব্যাচেলর অফ টেকনোলজি (বিটেক) পড়া যায়। সে ক্ষেত্রে জয়েন্ট এন্ট্রাস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয় আগ্রহীদের। তবে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে স্নাতক স্তরে পড়ুয়ারা প্রথমে অন্য কোনও বিভাগে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি অর্জন করেন। তারপর উচ্চস্তর অর্থাৎ মাস্টার অফ টেকনোজিতে ন্যানো সায়েন্স নিয়ে পড়ার পর গবেষণার কাজে নিযুক্ত হন। এ ছাড়াও পদার্থবিদ্যা, রসায়ন নিয়ে পড়ার পরেও স্নাতকোত্তর স্তরে ন্যানো সায়েন্স নিয়ে পড়ার সুযোগ থাকে। স্নাতকোত্তর যোগ্যতা অর্জনের পর পিএইচডি করারও সুযোগ রয়েছে।

কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হয়—

মহারাষ্ট্রের স্বামী রামানন্দ তীর্থ মারাঠওয়াড়া বিশ্ববিদ্যালয়, স্বামী রামানন্দ তীর্থ মারাঠওয়াড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সরাসরি ন্যানো সায়েন্স-এ বিটেক পড়া যায়। রাজস্থান বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঁচ বছরের একটি কোর্স পড়ানো হয়, যেখানে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিটেক ও এমটেক ডিগ্রি একই সঙ্গে পড়তে পারেন পড়ুয়ারা। এ ছাড়া, উচ্চস্তর অর্থাৎ এমটেক ডিগ্রি পড়ানো হয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় এবং দেশের বেশিরভাগ ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে (আইআইটি)। এই প্রতিষ্ঠানগুলির বাইরেও আরও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও রয়েছে যেখানে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ দেওয়া হয়।

কাজের সুযোগ—

ইসরো, ডিআরডিও, সিএসআইআর-এর মতো সরকারি গবেষণাগারে বিজ্ঞানী হিসেবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।

কর্কট রোগ নিরাময় বা ড্রাগ ডেলিভারি সিস্টেম তৈরি করার জন্য এই পড়াশোনার প্রয়োজন হয়। বহু নামী ওষুধ তৈরির সংস্থাতেও চাকরির সুযোগ থাকে।

ইলেকট্রনিক্স বিভাগেও চাকরির সুযোগ থাকে। ইন্টেলের মতো এমন অনেক সংস্থাই রয়েছে যেখানে ছোট এবং শক্তিশালী প্রসেসর তৈরির জন্য ন্যানো সায়েন্সের অ্যান্ড টেকনোলজির পড়াশোনা প্রয়োজন হয়। এ ছাড়াও অধ্যাপনার সুযোগ থাকছেই।

new courses Admission engineering
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy