বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা দ্রুত মেটানোর দাবিতে রাজপথে অবস্থান বিক্ষোভ করলেন বহু শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী এবং বিভিন্ন সরকারি দফতরের কর্মচারীরা। তাঁদের নিয়ে তৈরি যৌথমঞ্চের তরফে বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টা নাগাদ ধর্মতলা থেকে কালীঘাট মিছিল শুরু হয়। যদিও ধর্মতলাতেই আটকে দেয় পুলিশ। সেখানেই অবস্থান বিক্ষোভ করেন তাঁরা।
ঘণ্টাখানেক অবস্থান বিক্ষোভ পরে তাঁরা জানান, আগামী ১৩ মার্চ গোটা রাজ্যে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং সরকারি অফিসগুলোতে ধর্মঘট পালন করা হবে। ফেব্রুয়ারির শুরুতেই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ দিয়েছিল বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মিটিয়ে দিতে হবে ৬ মার্চের মধ্যে। কিন্তু ফেব্রুয়ারির শেষ পর্যন্ত সে বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ করেন রাজ্য। এরই প্রতিবাদে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে কর্মচারী সংগঠগুলির তরফে।
আরও পড়ুন:
এ প্রসঙ্গে বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং যৌথ মঞ্চের সদস্য স্বপন মণ্ডল বলেন, “শিক্ষাক্ষেত্রে সর্বত্র শিক্ষকরা বঞ্চিত হচ্ছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশও মান্য করা হচ্ছে না। ১৩ মার্চ আমরা ধর্মঘটের পথে যেতে বাধ্য হলাম। এর পর বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যাব।”
অন্য দিকে এ দিনই বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ এবং শিক্ষামন্ত্রীর দফতরে স্মারকলিপি জমা দেন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠন কুটাব। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপিকা সুচন্দ্রা চৌধুরী বলেন যে, বেতনকাঠামো-সহ বেতন বৃদ্ধি, ৬৫ বছর কাজ, কর্মরত অবস্থায় মৃত্যুতে গ্র্যাচুইটি এবং বদলির দাবিতে বিকাশ ভবন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছিল। জেলা থেকে প্রায় ৪০০ শিক্ষক যোগ দিয়েছিলেন। চার সদস্যের প্রতিনিধি দল শিক্ষামন্ত্রীর সচিবের কাছে স্মারকলিপি জমা দিতে পেরেছেন বলে জানা গিয়েছে।