Advertisement
E-Paper

মহার্ঘ ভাতা প্রদানের তোড়জোড়! কর্মীদের নামের তালিকা চেয়ে পাঠান হল সব বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেই বকেয়া মহার্ঘ ভাতা পাওয়ার আশায় ছিলেন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরা। কিন্তু মাঝখানে কিছু জটিলতায় আশঙ্কা তৈরি হয়, আদৌ তাঁরা মহার্ঘ ভাতা পাবেন কি না! এ নিয়ে গত ১৩ মার্চ ধর্মঘটে সামিলও হন শিক্ষকদের একাংশ। তারপরে বিকাশ ভবন সূত্রে খবর পাওয়া যায়, রাজ্য অর্থ দফতরের তরফে একটি নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৬ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:৪৮

— প্রতীকী চিত্র।

মহার্ঘ ভাতা প্রদানের প্রক্রিয়ায় আরও এক ধাপ এগলো উচ্চশিক্ষা দফতর। বিকাশ ভবন সূত্রের খবর, সোমবার রাজ্যের সব সরকার পোষিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে কর্মরত শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের বিস্তারিত তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছে উচ্চ শিক্ষা দফতর। পাশাপাশি অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের তালিকাও চেয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেই বকেয়া মহার্ঘ ভাতা পাওয়ার আশায় ছিলেন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরা। কিন্তু মাঝখানে কিছু জটিলতায় আশঙ্কা তৈরি হয়, আদৌ তাঁরা মহার্ঘ ভাতা পাবেন কি না! এ নিয়ে গত ১৩ মার্চ ধর্মঘটে সামিলও হন শিক্ষকদের একাংশ। তারপরে বিকাশ ভবন সূত্রে খবর পাওয়া যায়, রাজ্য অর্থ দফতরের তরফে একটি নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছিল সংশ্লিষ্ট দফতর স্থির করবে কোন পদ্ধতিতে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়া হবে। তারপরেই নড়ে বসে দফতর।

ইতিমধ্যে স্কুলশিক্ষা দফতর সেই তালিকা তৈরির কাজ চালাচ্ছে। এরই মধ্যে ১ এপ্রিল নবান্নে একটি বৈঠকও হয়। উচ্চ শিক্ষা দফতর থেকে তালিকে চেয়ে পাঠানোয় আশার আলো দেখছেন শিক্ষকেরা।

Advertisement

তবে প্রশ্ন স্কুল শিক্ষকদের জন্য কাজ কতদূর এগিয়েছে?

এ দিনই দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, যে হেতু ২০১৬ জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার স্থিয় হয়েছে তাই স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের তথ্য বাংলার শিক্ষা পোর্টালে আইওএসএমএস থেকেই সংগ্রহ করে নিচ্ছে দফতর। সেই কাজও চলছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রেজিস্ট্রার বলেন, ‘‘সবে মাত্র এই নির্দেশ পেয়েছি। মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার জন্য নামের তালিকা চেয়ে পাঠানো হয়েছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পোর্টালেই সব কিছু রয়েছে। দফতর থেকে যে ভাবে নামের তালিকা চেয়েছেন সে ভাবেই পাঠিয়ে দেওয়া হবে।’’

এ প্রসঙ্গে বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, ‘‘উচ্চ শিক্ষা দফতর ইতিমধ্যে তালিকা তৈরির কাজ শুরু করেছে। স্কুলশিক্ষা দফতরও এ বিষয়ে উদ্যোগী হবে বলে আশা করছি। দ্রুত এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তা দফতরের দেখা উচিত।’’ যদিও স্কুল শিক্ষা দফতরের এক কর্তা বলেন, ‘‘উচ্চ শিক্ষা দফতর যে ভাবে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তালিকা সংগ্রহ করছে সে ভাবে স্কুল শিক্ষা দফতর করতে গেলে কয়েক বছর সময় লেগে যাবে। তাই পোর্টাল থেকেই ওই তালিকা তৈরির কাজ চলছে।’’

university DA
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy