৫৯ বছর পূর্ণ করলেন সুরকার সঙ্গীতশিল্পী এ আর রহমান। দীর্ঘ সঙ্গীতজীবন তাঁর। প্রথম কাজ শুরু করেন নিজের বাবার সঙ্গে। রহমানের বাবা আর কে শেখর নিজেও ছিলেন সুরকার। বাবার সঙ্গে রেকর্ডিস্ট হিসেবে কাজ শুরু। তার পর ধীরে ধীরে নিজের সুর করা, সেখান থেকে সিনেমায় সুর করা । ‘রোজা’ ছবির সুর করে রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। তিন দশক ধরে শ্রোতাদের অসংখ্য গান উপহার দিয়েছেন সুরকার এ আর রহমান। বহু গানের জন্য পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি। তাঁর ঝুলিতে একটি অস্কার, দুটি গ্র্যামির মতো সম্মানও রয়েছে। এককথায় তিনি আন্তর্জাতিক শিল্পী।
এই মুহূর্তে ভারতের পুরুষ সঙ্গীতশিল্পীদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী নাকি তিনিই। সম্পত্তির নিরিখে সলমন খান থেকে আমির খান, কিংবা অল্লু অর্জুনের মতো তারকাদের রীতিমতো টেক্কা দিতে পারেন তিনি। জীবনের শুরুটা হয়েছিল দক্ষিণী ছবির জগত থেকে। তার পর ধীরে ধীরে বলিউডে কাজ। তার পর ‘স্লামডগ মিলিওনিয়ার’ ছবির মাধ্যমে হলিউডের সঙ্গে যোগসূত্র তৈরি হয় তাঁর। জানা গিয়েছে, ২১০০ কোটি টাকার সম্পত্তির অধিকারী তিনি। ছবিপিছু সুরকার হিসেবে তিনি নেন ১০ কোটি। গায়ক হিসেবে তাঁর পারিশ্রমিক প্রায় ৩ কোটি, যা এখনও পর্যন্ত দেশে সর্বোচ্চ।
আরও পড়ুন:
চেন্নাইয়ে রয়েছে শিল্পীর বিলাসবহুল বাড়ি। সেই বাড়িতে রয়েছে একাধিক শয়নকক্ষ, খাওয়ার ও বসার ঘর। বাড়ির সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থান হল বিনোদনকক্ষ। এই ঘরে গান-বাজনার আয়োজন হয়। লস অ্যাঞ্জেলসেও রয়েছে রহমানের একটি বিলাসবহুল বাড়ি। সেখানে একটি বিরাট স্টুডিয়ো তৈরি করেছেন রহমান। এখানে বিভিন্ন গানের রেকর্ডিংও করা হয়। এ ছাড়াও মুম্বই ও লন্ডনে রহমানের নিজস্ব স্টুডিয়ো রয়েছে। রহমানের ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধবও এই স্টুডিয়োয় গানের রেকর্ডিং করেন। দীর্ঘ সঙ্গীতজীবনের পর অভিনয়ে পা রাখছেন রহমান। ‘মুনওয়াক’ ছবির মাধ্যমে বড়পর্দায় আত্মপ্রকাশ করবেন। তাঁর সঙ্গে থাকবেন দীর্ঘদিনের বন্ধু প্রভু দেব। তবে ছবিতে কোনও কাল্পনিক চরিত্র নয়, বরং রহমান হয়েই থাকবেন।