• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

‘আর না’, গার্হস্থ্য হিংসার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন জয়া

jaya ahsaan
জয়া আহসান।

‘‘আর না!’’ যুগ যুগ ধরে সমাজের ‘অঙ্গ’ হিসেবে পরিচিত মেয়েদের উপর অত্যাচারের প্রতিবাদে প্যান কমনওয়েলথ প্ল্যাটফর্মে মুখ খুললেন অভিনেত্রী জয়া আহসান। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বহু তারকা সামিল এই প্রতিবাদ প্রচারে। সেখানেই ‘নো মোর’ ক্যাম্পেনিংয়ে সামিল জয়াও।

এই বিষয়ে কী বললেন ‘বিজয়া’র ‘জয়া’? তাঁর ক্ষোভ, ‘‘হতে পারে এই অত্যাচার যৌন নিপীড়ন। হতেই পারে মারধর, গার্হস্থ্য হিংসা। অনন্তকাল ধরে যা নীরবে সহ্য করে আসছেন নানা বয়সের মেয়ে। আজ পর্যন্ত ঘটনাগুলোর প্রতিবাদ করেনি কেউ! অত্যাচার থামানোরও চেষ্টা করেনি। উল্টে সাফাই গেয়েছে, এটা ব্যক্তিগত ঘটনা। এই নিয়ে বাইরে কথা হবে কেন? এবার বলার সময় এসেছে, ‘আর না’।’’

কমনওয়েলথের সপ্তাহব্যাপী এই বিশেষ প্রচারে ৫৪টি সদস্য দেশ যুক্ত। সেই মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে জয়া গর্বিত। জানিয়েছেন, ঘরের কোণায় গুমরোতে গুমরোতে অত্যাচারে, অবিচারে মৃতপ্রায় নারী। মহামারির মতো সারা বিশ্বে ছেয়ে গিয়েছে এই ন্যক্কারজনক ঘটনা। সমাজ এর বিরুদ্ধে মুখ খোলেনি। মেয়েদের কোনও নিরাপত্তা দেয়নি।

আরও পড়ুন- ‘ভারাক্রান্ত হৃদয়ে’ মুম্বইকে বিদায় জানালেন কঙ্গনা রানাউত

অভিনেত্রী প্রশ্ন তুলেছেন, কোভিড-১৯ নিয়ে সবাই আতঙ্কিত। নিত্যদিন ঘটে চলা অকথ্য অত্যাচার যে কত নারীর জীবন শেষ করে দিচ্ছে সেটা আতঙ্কের নয়? দুনিয়া থেকে, নারীর জীবন থেকে এই ধরনের কলঙ্কিত অধ্যায় মুছে ফেলতে তাই ডাক দিয়েছেন,‘‘নিপীড়ন যাক। ভালবাসা আসুক। সুস্থ, আতঙ্কহীন জীবনের স্বপ্ন দেখুক নারীও।’’

তার জন্য কী করতে হবে? জয়ার মতে, সমাজের আনাচেকানাচে একটাই কথা ধ্বনিত হোক, ‘আর না’। তবেই হিংসা গিয়ে সম্মান ফিরবে নারী জীবনে।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন