×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

২৬ জানুয়ারি ২০২১ ই-পেপার

‘চিনের সঙ্গে লড়ো’, কঙ্গনাকে কটাক্ষ কশ্যপের

সংবাদ সংস্থা
মুম্বই১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০৫:৪২
ছবি: সংগৃহীত।

ছবি: সংগৃহীত।

সোশ্যাল মিডিয়ার ‘রণভূমিতে’ বিরাম নেই বাগ্‌যুদ্ধের। প্রায় প্রতিদিনই নয়া মাত্রা যোগ হচ্ছে অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত বনাম বলিউড তরজায়। যেমন কঙ্গনারই করা এক টুইটের সূত্র ধরে এ বার তাঁকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় গিয়ে চিনের সেনাকে পিছু হটিয়ে দেশকে রক্ষা করার ‘উপদেশ’ দিয়ে কটাক্ষ ছুড়লেন পরিচালক অনুরাগ কশ্যপ। চুপ করে থাকার পাত্রী নন কঙ্গনাও। পাল্টা টুইটে অনুরাগকে ‘নির্বোধ’ আখ্যা দিয়ে অভিনেত্রী বলেছেন, তিনি সীমান্তে গেলে অনুরাগও যেন পরের বার অলিম্পিক্‌স-এ নাম লেখান! যদিও প্রশ্ন উঠেছে যে, এত কিছু থাকতে একজন পরিচালককে কেন অলিম্পিক্‌স-এ নাম লেখাতে বললেন বিজেপি-ঘনিষ্ঠ এই অভিনেত্রী।

সুশান্ত সিংহ রাজপুতের মৃত্যু রহস্য ঘিরে প্রথম দিন থেকেই ঝড় তুলেছে কঙ্গনার টুইট। তরজা চলেছে। শুরু হয়েছে বিতর্কও। সেই রেশ টেনেই এ বার টুইট যুদ্ধে জড়ালেন কঙ্গনা-অনুরাগ। ১৭ সেপ্টেম্বর এক টুইটে কঙ্গনা লিখেছিলেন, ‘‘আমি এক জন ক্ষত্রিয়। গর্দান দিতে পারি, কিন্তু মাথা নিচু করতে পারব না। দেশের সম্মানের স্বার্থে সব সময়েই মুখ খুলব। আত্মসম্মানের সঙ্গে বেঁচে এসেছি এবং গর্বের সঙ্গে জাতীয়তাবাদী হয়েই বেঁচে থাকব। কখনই নিজের নীতির সঙ্গে আপস করব না। জয় হিন্দ।’’ যার জবাবে কটাক্ষ ছুড়ে অনুরাগ লেখেন, ‘‘বোনটি, তুমি একাই! একমাত্র মণিকর্ণিকা! চার-পাঁচ জনকে সঙ্গে নিয়ে চিনের সঙ্গে লড়াই করো। দেখ চিন দেশের কতটা ভিতরে ঢুকে পড়েছে। দেখিয়ে দাও তাদেরও যে, যখন তুমি রয়েছ, তখন কেউ ভারতের এক চুলও ক্ষতি করতে পারবে না! তোমার বাড়ি থেকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার ওই অঞ্চলে পৌঁছতে মাত্র এক দিন সময় লাগে। যাও বাঘিনী। জয় হিন্দ।’’ কটাক্ষের জবাবে কঙ্গনার পাল্টা টুইট, ‘‘ঠিক আছে, আমি সীমান্তে যাচ্ছি। আপনিও সামনের বছর অলিম্পিক্‌স-এ চলে যান, দেশের স্বর্ণপদক প্রয়োজন...আপনি তো দেখছি রূপকেও আক্ষরিক অর্থ খুঁজছেন। এত নির্বোধ হয়ে গিয়েছেন কবে থেকে? আমরা যখন বন্ধু ছিলাম, তখন তো বেশ বুদ্ধিমান ছিলেন!’’ এর পরে অবশ্য চুপ করে থাকেননি অনুরাগও। তাঁর টুইট, ‘বোনটি, তোমার জীবনটাই এখন রূপকের রূপ নিয়েছে!’ সঙ্গে রাজনৈতিক খোঁচাও জুড়ে দেন তিনি।

এর পর এই তর্কে ইতি টানার পক্ষেই সওয়াল করেন কঙ্গনা। তবে খানিক পরে আলাদা একটি টুইটে তিনি বলেন, ‘‘আমাকে হয়তো অনেকের খুব লড়াকু মনে হতে পারে। তবে তা একেবারেই সত্যি নয়। কখনও কোনও যুদ্ধ আমি নিজে থেকে শুরু করিনি। যদি তেমনটা কেউ প্রমাণ করতে পারে, আমি টুইটার ছেড়ে দেব। আমি কখনও লড়াই শুরু করি না। তবে শেষ করি। ভগবান কৃষ্ণ বলেছেন, কেউ যদি যুদ্ধ চায়, তা হলে প্রত্যাখান করতে নেই।’’

Advertisement

আরও পড়ুন: কবিতাভবনের মেয়ে ঝুমা

আগের দিনই অভিনেত্রী ঊর্মিলা মাতণ্ডকরকে ‘সফ্‌ট পর্ন অভিনেত্রী’ বলায় কঙ্গনার বিরুদ্ধে তোপ দাগেন বলিউড এবং নেটিজ়েনদের একাংশ। শুক্রবার কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ঊর্মিলা লেখেন, ‘‘আমার পাশে দাঁড়ানোর জন্য ‘ভারতবর্ষের আসল নাগরিকদের’ ধন্যবাদ।’’

আরও পড়ুন: ‘যুদ্ধ শেষ করব আমিই’, কঙ্গনার হুঁশিয়ারি, পাল্টা মুখ খুললেন ঊর্মিলাও

এ দিনই গোমাংস খাওয়া নিয়ে তাঁর টুইট ঘিরে শুরু হওয়া বিতর্কে কঙ্গনাকে ক্লিনচিট দিয়েছে পঞ্জাব এবং হরিয়ানার আদালত। ২০১৯ সালে করা কঙ্গনার ওই টুইট ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করেছে— এই অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন নবনীত গোপী নামে লুধিয়ানার এক ব্যক্তি।

Advertisement