এ বছরের সাধারণতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে মরণোত্তর ‘পদ্ম’ সম্মানে সম্মানিত ধর্মেন্দ্র দেওল। পরিবার খুশি তাঁর এই বিশেষ সম্মানে। কেবল একটিই আক্ষেপ হেমা মালিনীর। তিনি এক বার্তায় লিখেছেন, “এই সম্মান ধরমজির আরও আগেই পাওয়া উচিত ছিল।”
হেমা আরও জানান, বরাবরই ধর্মেন্দ্র মানবদরদি। কেউ কোনও দিন তাঁর কাছ থেকে খালি হাতে ফেরেননি। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। একই ভাবে বিনোদনদুনিয়ায় তাঁর অবদান অবিস্মরণীয়। আবার অভিনেতা যখন রাজনীতিবিদ, তখনও তিনি সমান সহানুভূতিশীল। তাই হেমার মতে, ‘পদ্মবিভূষণ’-এর মতো সম্মানলাভের যোগ্য ছিলেন ধর্মেন্দ্র। সঠিক সময়ে তিনি সেই সম্মান পাননি। পর ক্ষণেই তাঁর মত, তবু যে ধর্মেন্দ্রকে এই বিশেষ সম্মান দেওয়া হল, তাতে খুশি তিনি। একই সঙ্গে প্রয়াত অভিনেতা-প্রাক্তন রাজনীতিবিদ স্বামীর জন্য গর্বিত হেমা।
সাধারণতন্ত্র দিবসের আগের দিন প্রকাশ্যে আসে পদ্মসম্মান প্রাপকদের নাম। দেওল পরিবার সেই তালিকায় প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতার নাম দেখে আবেগে আপ্লুত। আবেগে ভেসেছেন অভিনেতার অনুরাগীরাও। অভিনেতা জীবিতাবস্থায় এই সম্মান পেলে সবাই যে আরও খুশি হতেন সে কথা বলাই বাহুল্য। ২৬ জানুয়ারি সকালে যেমন ঈশা দেওল প্রয়াত বাবার বিশেষ সম্মান এবং দাদা সানি দেওলের ‘বর্ডার ২’ ছবির সাফল্যের কথা উল্লেখ করেন। সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে এক বার্তায় লেখেন, এ বছরের সাধারণতন্ত্র দিবস দেওল পরিবারের কাছে বিশেষ। একই দিনে দুটো ভাল খবর উজ্জীবিত করেছে পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে।