Advertisement
E-Paper

সইফ মানেই ‘চকোলেট হিরো’, মা শর্মিলার কাছে বকুনি খেয়ে কেরিয়ারের বাঁক বদল করেন অভিনেতা

জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন, হিট ছবিও দিয়েছেন। তবু সন্তুষ্ট ছিলেন না মা শর্মিলা। অবশেষে মায়ের কোন কথা শুনে অভিনয়কে গুরুত্ব দিতে শুরু করেন সইফ।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৬ মে ২০২৬ ১৯:৫৯
শর্মিলার কোন কথা শুনে অভিনয়কে গুরুত্ব দেওয়া শুরু করেন সইফ।

শর্মিলার কোন কথা শুনে অভিনয়কে গুরুত্ব দেওয়া শুরু করেন সইফ। ছবি: সংগৃহীত।

ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার মনসুর আলি খান পটৌডী এবং বলি অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরের পুত্র সইফ আলি খান ধীরে ধীরে বলিউডে শাহরুখ, সলমন এবং আমিরের পাশাপাশি চতুর্থ খান হিসাবে পরিচিতি পেয়েছেন। যদিও কেরিয়ারের শুরুটা বেশ চড়াই-উতরাইয়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে তাঁর। ১৯৯৩ সালে ‘পরম্পরা’ ছবিতে আত্মপ্রকাশ। যদিও প্রথম ছবির আগেই একটি ছবি থেকে বাদ পড়েন। তার পর হিন্দিতে বেশ কিছু ছবি করেন। নব্বইয়ের দশকে একক হিরো হিসাবে তেমন কোনও সাফল্য নেই তাঁর। ২০০০ সালে বেশ কিছু হিট ছবি সইফের ঝুলিতে আসে। তবে ছেলের অভিনয় নিয়ে মোটেই সন্তুষ্ট ছিলেন না মা শর্মিলা। অবশেষে মায়ের কথা শুনেই অভিনয়কে গুরুত্ব দিতে শুরু করেন সইফ।

বলিপাড়ার একাংশ অনুমান করেছিলেন, ইন্ডাস্ট্রিতে সইফ নিজের পরিচিতি গড়ে তুলতে সফল হবেন। শর্মিলার পুত্র হিসাবে যদিও আগে থেকেই পরিচিত ছিলেন তিনি। কিন্তু তারকাসন্তান হওয়ার সুবিধা নিয়ে যে গতিতে সফল হওয়ার কথা ছিল, সইফের কেরিয়ারে অবশ্য বিপরীত ঘটনাই ঘটল। ‘হম সাথ সাথ হ্যায়’, ‘কাচ্চে ধাগে’, ‘ম্যায় খিলাড়ি তু আনাড়ি’, ‘ইয়ে দিললাগি’, ‘কয়া কহেনা’র মতো বহু ছবিতে অভিনয় করেন সইফ। ছবি জনপ্রিয় হলেও একক অভিনেতা হিসাবে নাম করতে পারেননি তিনি। ২০০৪ সালের পর সইফের কেরিয়ার মোড় ঘোরে। যশরাজ ফিল্মসের প্রযোজনায় মুক্তি পায় প্রেমের ছবি ‘হম তুম’। এই ছবিতে সইফের বিপরীতে ছিলেন রানি মুখোপাধ্যায়। ‘হম তুম’ ছবিতে অভিনয় করে অভিনেতা হিসাবে জাতীয় পুরস্কারও পান সইফ। ২০০৪ সালের পর ‘সালাম নমস্তে’, ‘রেস’, ‘লভ আজ কাল’ এবং ‘ককটেল’ ছবিতে অভিনয় করেন সইফ। এই ছবিগুলিতে সইফের অভিনয় প্রশংসা পায়। তবু মা শর্মিলা বলেন, ‘‘তোমাকে অভিনেতা হিসাবে তেমন গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় না।’’ সইফ জানান, মায়ের এই কথাটা তাঁকে ভিতর থেকে নাড়িয়ে দেয়। তখন থেকে নিজেকে ভাঙতে শুরু করেন। চরিত্রগুলোর সঙ্গে যাপন শুরু করেন। সইফের কথায়, ‘‘আমি মাকে আগে বলতাম, আমি অমুক জায়গা শুটিংয়ে যাচ্ছি। দারুণ লোকেশন। তখন এক দিন মা বলল, আমি শুনতে চাই যে দিন তুমি বলবে এই চরিত্রটা করে আমার দারুণ লাগল। আসলে মা আমার চোখ খুলে দেয়। তার পর থেকে অভিনয় নিয়ে সত্যিকার ভাবনাচিন্তা শুরু করি।’’

তার কয়েক বছর পরে, ২০০৬ সালে ‘ওমকারা’ ছবিতে ল্যাংড়া ত্যাগী চরিত্রে নজর কাড়েন সইফ। তেমন ভাবেই ওটিটিতে ‘সেক্রেড গেমস’-এর মতো চরিত্র অভিনেতা হিসাবে সইফকে একটা পরিচিতি দিয়েছে, সেটা মানেন সইফ এবং তার নেপথ্যে কৃতিত্ব দিয়েছেন মা শর্মিলাকেই।

Sharmila Tagore Saif Ali Khan Bollywood Star Stylish Bollywood kids
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy