সোহা আলি খান মা হয়েছেন প্রায় আট বছর আগে। সম্প্রতি মেয়ে ইনায়া খেমুর জন্মদিনও পালন করেছেন। তবে আজও তিনি স্বীকার করেন যে, মা হওয়া মুখের কথা নয়। তবে তার থেকেও কঠিন, সন্তানকে স্তন্যপান করানো। মত সোহার। পাশাপাশি তাঁর মতে, সন্তানকে স্তন্যপান করানোর অনুভূতিও অসাধারণ। তাই স্তন্যপান করানোর বিষয়টা নিয়ে বাড়াবা়ড়ি করতে চাননি সোহা।
আরও পড়ুন:
সোহা জানান, স্তন্যপান করানোর বিষয়টা নিয়ে অনেকেই ফলাও করে বলেন। কিন্তু তিনি উল্টোটাই মনে করেন। সোহার কথায়, ‘‘অনেক সময়ে দুধের পরিমাণ পর্যাপ্ত হয় না। সন্তানের দুধ পেতে কষ্ট হয়। অনেক সময়ে এমনও হয়েছে যে, শারীরচর্চার জন্য জিমে যাওয়ার দরকার। কিন্তু, আমার ভাললাগা বা পছন্দ-অপছন্দ সবার শেষে আসত। শুধু তা-ই নয়, গোটা পরিবার যখন উৎসবে মাতছে, তখনও তোমাকে সন্তানকে ঘরে নিয়ে গিয়ে স্তন্যপান করাতে হচ্ছে।’’
মেয়ে ইনায়ার সঙ্গে সোহা।
তাঁর কথায়, নিজের আনন্দ ভুলে একাই সন্তানের দায়িত্ব নিতে হয় তখন। সোহা জানান, মা হওয়ার পর একটা মেয়ের শারীরিক ও মানসিক— সব রকমের বদল আসে। মেয়ের জন্মের পরে দ্রুত ওজন হ্রাস পায় সোহার, সেই নিয়েও কটাক্ষের শিকার হতে হয় তাঁকে। জীবনের ওই অধ্যায় সোহার কাছে ছিল বেদনাদায়ক।