Advertisement
E-Paper

‘এত সব না জেনেই হিরণকে শুভেচ্ছা জানাব ভেবেছিলাম’, বললেন শতাব্দী, বিজেপি বিধায়কের বিয়ে-বিতর্ক নিয়ে বাকিদের কী মত?

গত ৪৮ ঘণ্টায় তোলপাড় সর্বত্র। নেপথ্যে বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় বিয়ে বিতর্ক। এ বিষয়ে কী মতামত সকলের?

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:১৭
হিরণকে শুভেচ্ছা জানাবেন ভেবেছিলেন শতাব্দী?

হিরণকে শুভেচ্ছা জানাবেন ভেবেছিলেন শতাব্দী? ছবি: সংগৃহীত।

তাঁর বিয়ে নিয়ে বিতর্ক চলছে সর্বত্র। তবে এখনও পর্যন্ত এ নিয়ে নীরব অভিনেতা তথা বিজেপি বিধায়ক হিরণ্ময় চট্টোপাধ্যায়। প্রতিক্রিয়া আসেনি তাঁর দলের নেতৃত্ব থেকেও। একের পর এক অভিযোগ তুলছেন বিজেপি বিধায়ক হিরণ্ময় চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায়। পাল্টা উত্তর দিয়েছেন দ্বিতীয় স্ত্রী ঋতিকা গিরিও। গত ৪৮ ঘণ্টায় এই একটা বিষয় নিয়ে কার্যত তোলপাড় সর্বত্র। হিরণ্ময় ওরফে হিরণের বিয়ে বিতর্ককে কী ভাবে দেখছেন শতাব্দী রায়, লকেট চট্টোপাধ্যায়, ঊষসী চক্রবর্তীরা?

তিনজনের রাজনৈতিক মতাদর্শ আলাদা হলেও ‘হিরণ-বিতর্ক’ নিয়ে তাঁদের মত এক। পেশাদারিত্বের খাতিরে তাঁরা এক ক্ষেত্রে থাকলেও সকলেই জানিয়েছেন, এটা একান্তই বিজেপি বিধায়কের ব্যক্তিগত বিষয়। এই বিষয়ে কারও হস্তক্ষেপ করা ঠিক হবে না। অভিনেত্রী ঊষসী চক্রবর্তী বলেছেন, “প্রতিটা বিষয় নিয়ে আমাদের খাপ-পঞ্চায়েত বসানো বন্ধ করা উচিত। এই বিষয়ে কেন কেউ মতামত দেবে? এটা তো একান্তই ওঁদের ব্যক্তিগত বিষয়। পরিচিত নাম মানেই তাঁর জীবন নিয়ে খোরাক করে ফেলায় আমার সায় নেই।”

অভিনেত্রী তথা বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ও এই বিষয়ে নিজের মতামত দিতে একেবারেই রাজি নন। তিনি বললেন, “আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারি। কিন্তু বিয়ের বিষয়টা তো একজনের খুবই ব্যক্তিগত বিষয়। তাই কোনও মন্তব্য করতে চাই না।”

অন্য দিকে, তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায় আবার ভেবেছিলেন হিরণকে বিয়ের শুভেচ্ছাও জানাবেন। কিন্তু তখনও তিনি জানতেন না, হিরণের আগের বিয়ের আইনি বিচ্ছেদ হয়নি। শতাব্দী বলেন, “ওদের সাংসারিক জীবন কী ছিল সেটা আমার জানার কথা নয়। বাইরে থেকে আমার কোনও মন্তব্য করাই উচিত নয়। আমি হিরণকে ব্যক্তিগত ভাবে চিনি। কিন্তু ওর স্ত্রীকে চিনি না। দু’জনে আমার বন্ধু হলে, তা-ও আমার মতামত দেওয়ার একটা জায়গা থাকত।” অভিনেত্রী তথা তৃণমূল সাংসদের মতে, হিরণদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বেশি কাটাছেঁড়া না করাই ভাল।

সেইসঙ্গে শতাব্দী যোগ করেন, “ওদের একটা বড় মেয়ে আছে। ব্যক্তিগত কাদা ছোড়াছুড়ি মানে দু’পক্ষেরই অসম্মান। আর সমাজমাধ্যমেও ওদেরকে নিজেদের মতো ছেড়ে দেওয়া উচিত। আমি ব্যক্তিগত ভাবে ভেবেছিলাম হিরণকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানাব। তখনও আমার ধারণা ছিল না যে, ওর বিবাহবিচ্ছেদ হয়নি। আমি জানতাম না। তবে এই বিষয়ে কারও কোনও মতামত দেওয়া উচিত নয় বলেই আমার মনে হয়।”

এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় সে ভাবে কেউই মন্তব্য করতে রাজি নন। আনন্দবাজার ডট কম-এর তরফে হিরণের সঙ্গে অনেক বারই যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে, কখনও তাঁর ফোন বেজে গিয়েছে, কখনও আবার ফোন বন্ধ।

Actor BJP
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy