ঘুম থেকে উঠলেও কারও গরম কফি, কারও আবার ধোঁয়া ওঠা চায়ের খোঁজ পড়ে। উষ্ণ পানীয় ঘুম কাটিয়ে স্নায়ু সতেজ করে তোলে। তবে তার খেসারতও দিতে হয় খানিক পরেই। সকালে উঠে এক কাপ দুধ-কফি খাওয়ার কিছুটা পরেই অম্বল, বুকজ্বালা, পেটভারের মতো উপসর্গ অনেকেরই চেনা। একই যুক্তি খাটে চায়ের ক্ষেত্রেও। অনেকেরই খালি পেটে চিনি দিয়ে লাল-চা খেলেও অম্বল হয়ে যায়।
পুষ্টিবিদেরা বলছেন, কফি উত্তেজক পানীয়। খালিপেটে খেলে অম্বল, জলশূন্যতা দেখা দিতে পারে। কারও ক্ষেত্রে আবার বেশি কফি পান উদ্বেগেরও কারণ হয়। তা ছাড়া, ঘন ঘন কফি খাওয়ার অভ্যাস হরমোনের ভারসাম্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। কফির উপর নির্ভরতা তৈরি হয় এতে। কফি বাদ দিলে আর কী খেতে পারেন সকালবেলা, যাতে বদহজম হবে না আবার বাড়বে বিপাকহার? বিপাকহার বৃদ্ধি পাওয়া মানেই কিন্তু ওজন কমার পথ সুগম হওয়া।
আরও পড়ুন:
জিরের জল: সকালে উঠেই যাঁদের পেট ভার লাগে, কিছু খেতে ইচ্ছা করে না তাঁরা খালি পেটে অনায়াসে জিরের জল খেতে পারেন। জলে জিরে দিয়ে ফুটিয়ে ছেঁকে নিন। চাইলে যোগ করতে পারেন মধু। তবে অম্বলের ধাত থাকলে মধুও বাদ দেওয়া ভাল। জিরের জল হালকা গরম থাকাকালীন চায়ের মতো চুমুক দিয়ে খান। নিয়ম করে জিরের জল খেলে পেট ফাঁপার সমস্যা করবে। চনমনিয়ে খিদেও পাবে।
চিয়ার জল: কিডনি বা লিভারের সমস্যা না থাকলে দিন শুরু করা যায় চিয়ার জল দিয়েও। চিয়াবীজে রয়েছে প্রচুর ফাইবার, ভিটামিন, খনিজ। চিয়াবীজ রাতভর ভিজিয়ে রাখলে তা নরম হয়ে যায়। জলটা হয়ে যায় খানিকটা জেলের মতো। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে চিয়ার জল খুব ভাল। স্বাস্থ্য ভাল রাখার লক্ষ্য থাকলে খালি পেটে চিয়ার জল খেতে পারেন।
মাচা: জাপানের এই পানীয় ভারতে ক্রমশ জনপ্রিয় হচ্ছে।সাধারণ কফির তুলনায় মাচায় ক্যাফিনের মাত্রা বেশ কম। এই চা খেলে অ্যাসিডিটির ঝুঁকিও কমে। এতে ক্যাটেসিন নামের এক ফ্ল্যাভনয়েডের মতো অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। এটি প্রদাহনাশকও।