রাস্তায় বেরোলে ধুলোধোঁয়া থেকে অ্যালার্জি হয় অনেকেরই। বাড়িতে ঘরদোর পরিষ্কারের সময়েও একই দশা হয়। ‘অ্যালার্জিক রাইনিটিস’ বা ‘ডাস্ট অ্যালার্জি’ থাকলে এমন হয়। বাড়াবাড়ি রকমের অ্যালার্জিতে শ্বাস বন্ধ হয়ে আসে। ত্বকেও র্যাশ, চুলকানির মতো সমস্যা দেখা যায়। ওষুধ খেলে এবং নিয়ম মেনে চললে এই অসুখ অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। এর পাশাপাশি রোজের ডায়েটে কিছু খাবার যোগ করলেও ‘ডাস্ট অ্যালার্জি’ রোধ করা যেতে পারে। জেনে নিন, কী কী আছে সেই তালিকায়।
সাইট্রাস ফল: যে কোনও রকম লেবু যেমন পাতিলেবু, কমলালেবু, মুসাম্বি এবং আমলকির সাইট্রাস গুণের জন্য শরীরে হিস্টামিনের ক্ষরণ কমে যায়। ফলে অ্যালার্জিজনিত সমস্যা কমে।
আদা: আদায় ভরপুর মাত্রায় অ্যান্টি-ইমফ্ল্যামেটারি বা প্রদাহনাশক গুণ রয়েছে। তাই আদা শ্বাসনালির প্রদাহকে দূর করতে সাহায্য করে।
আরও পড়ুন:
গ্রিন টি: বারে বারে সাধারণ চা আর কফিতে চুমুক না দিয়ে অ্যালার্জির সমস্যা থাকলে গ্রিন টি-এ চুমুক দিতে পারেন। এতে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট থাকে যা অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। ফলে অ্যালার্জির প্রবণতাও কমে।
প্রোবায়োটিক: অ্যালার্জির সমস্যা দূর করতে ডায়েটে বেশি করে প্রোবায়োটিক রাখতে হবে। টক দই হল প্রোবায়োটিকের সবচেয়ে ভাল উৎস। তাই রোজের ডায়েটে দই, দইয়ের ঘোল, লস্যির মতো খাবার রেখে দেখতেই পারেন। প্রোবায়োটিক ইমিউন টলারেন্স বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। ফলে অ্যালার্জির সমস্যা কমে।
তেলযুক্ত মাছ: এই ধরনের মাছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। যা অ্যান্টি- ইমফ্ল্যামেটারি অ্যানালগ তৈরি করে। ফলে রোজের ডায়েটে কাতলা, তেলাপিয়া আর বোয়ালের মতো মাছ রাখলে ঘন ঘন অ্যালার্জি হওয়ার প্রবণতা কমে।