গরমের আঁচ টের পেতে শুরু করেছেন রাজ্যবাসী। গরম পড়তে না পড়তেই বাজারে দেখা মিলছে তরমুজের। সারা বছর এই ফলের দেখা তেমন মেলে না, তাই স্বাভাবিক কারণেই বছরের এই সময়টা তরমুজের চাহিদা বেশি থাকে। এই ফলে ক্যালোরির পরিমাণ অত্যন্ত কম, জলের ভাগ প্রায় ৯০ শতাংশ। এ ছাড়াও ভিটামিন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, বিটা ক্যারোটিন, লাইকোপিন এবং ক্যারোটিনয়েড সমৃদ্ধ তরমুজ শরীরে বিভিন্ন খনিজের ঘাটতি মেটাতেও সাহায্য করে। বাজারে তো তরমুজের ছড়াছড়ি। কিন্তু মুশকিল হল, যে তরমুজটি কিনছেন, তা আদৌ লাল, রসালো এবং মিষ্টি কী না, তা বুঝবেন কেমন করে।
অনেক সময় বাজার থেকে বড় মাপের তরমুজ আনা হয়, কিন্ত কাটার পরে বোঝা যায়, সেই তরমুজ আদৌ রসালো এবং মিষ্টি নয়। বাজারে গিয়ে ঠকে যাওয়ার আগে জেনে নিন তরমুজ পরখ করে নেওয়ার সঠিক কৌশল।
১) বাজারে গিয়ে চকচকে, কালচে সবুজ গা দেখে তরমুজ কিনলেন, কিন্তু বাড়ি গিয়ে কেটে দেখলেন ফ্যাকাশে। তাই শুধু রং দেখলে হবে না। দেখতে হবে তরমুজের গায়ে হলদেটে ছোপ রয়েছে কী না। এই দাগ থাকলে তরমুজ তুলনামূলক ভাবে মিষ্টি হয়। তরমুজের গায়ে হলদে দাগ থাকলে বুঝতে হবে ফলটি প্রাকৃতিক উপায়ে পাকানো হয়েছে।
২) তরমুজের মাথার দিকে হাত দিয়ে মেরে আওয়াজ পরখ করে দেখার চেষ্টা করুন। যে ফলের আওয়াজ তুলনামূলক ফাঁপা সেগুলি খেতে মিষ্টি এবং রসালো হয়।
৩) তরমুজ কেনার সময়ে হালকা ওজনের কিনবেন না। যে তরমুজগুলি আকৃতিতে খুব বড় না হলেও বেশ ভারী, সেগুলি বেশি রসালো আর মিষ্টি হয়।
৪) তরমুজের গায়ে সাদা সাদা ছোপ দেখতে পেলে না কেনাই ভাল। এগুলি সাধারণত পানসে হয়।
৫) তরমুজের গায়ে অনেক সময়ে সবুজ রঙের উলম্ব লাইন দেখায় যায়। লাইনগুলি কাছে কাছে থাকলে তরমুজ সাধারণত মিষ্টি হবে, লাইনগুলি দূর দূরে থাকলে সেই তরমুজের স্বাদ খুব একটা মিষ্টি হয় না।