শরীর ভাল রাখতে হলে বাইরের অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়িয়ে চলতে বলেন চিকিৎসকেরা। বাড়ির খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসক থেকে পুষ্টিবিদেরা। কিন্তু সত্যি কি বাড়ির খাবার এতটাই স্বাস্থ্যকর?
আরও পড়ুন:
ঘরের খাবার মানে তাতে শুধু খাবার নয়, মিশে থাকে প্রিয়জনের ভালবাসা। বাড়ির খাবার মানেই টাটকা উপকরণের ব্যবহার, তেমনই তাতে নুন-চিনিও নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। কিন্তু সত্যিই কি তা স্বাস্থ্যকর?
পুষ্টিবিদেরা বলেন, খাবারের পুষ্টিগুণ নির্ভর করে রন্ধনশৈলীর উপরে। খাবারে স্বাদ আনতে গিয়ে কোন উপকরণ, কতটা মেশানো হচ্ছে, তার উপর খাবারের ভাল-মন্দ জড়িয়ে থাকে। হেঁশেলেও এখন হিমায়িত খাবারের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। কিন্তু এই ধরনের খাবার মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়, বিশেষত তাতে যদি প্রক্রিয়াজাত রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়।
রান্না কী ভাবে করা হচ্ছে, ছাঁকা তেলে ভাজা হচ্ছে কি না, কতটা তাপমাত্রায় রান্না হচ্ছে, তার উপরেই এর পুষ্টিগুণ নির্ভরশীল। খাবারে স্বাদ আনতে যদি ঘি-মাখন যথেচ্ছ দেওয়া হয়, তেল ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ না থাকে, তা হলে তা সুস্বাদু হলেও আর স্বাস্থ্যকর থাকবে না।
কী ভাবে বাড়ির খাবার স্বাস্থ্যকর হবে?
· টাটকা সব্জির ব্যবহার। খাবারে দানাশস্য, টাটকা মাছ-মাংস থাকা জরুরি। শাকসব্জিও খাদ্যতালিকায় রাখলে পু্ষ্টির ভারসাম্য বজায় থাকবে।
· উচ্চ তাপমাত্রায় দীর্ঘ ক্ষণ ধরে রান্না করলে খাবারের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়। আবার ছাঁকা তেলে ভাজলেও সব্জির ভিতরে থাকা ভিটামিন-খনিজের গুণ কমে যায়। সব্জি ভাপিয়ে রান্না করার কৌশলে পুষ্টিগুণ বজায় থাকে।
· তেল, ঘি, মাখন খাওয়া যেতে হবে, তবে পরিমিত। তেল-ঘি অতিরিক্ত খেলে ওজন বাড়তে পারে, হজমেও সমস্যা হতে পারে।
· রান্নাঘরের পরিচ্ছন্নতা খুব গুরুত্বপূর্ণ। রান্নার বাসন, হেঁশেল পরিষ্কারের কাপড়— সব কিছুই পরিষ্কার থাকা দরকার। না হলে সেখান থেকেই সংক্রমণ ঘটতে পারে।