বাড়িতে পার্টি হলে বা ভূরিভোজের আয়োজন থাকলে অনেক খাবারই বাড়তি হয়। শেষ মুহূর্তে সেই সব খাবারের ঠাঁই হয় ফ্রিজে। সেই খাবারই বার করে, বার বার গরম করে অনেকেই ২-৩ দিন ধরে খান। তবে সামান্য ভুলেই বিষক্রিয়া হতে পারে। দেখা দিতে পারে পেটের অসুখ। ক্ষেত্র বিশেষে তা মারাত্মক আকারও নিতে পারে।
আরও পড়ুন:
সিঙ্গাপুরের নেটপ্রভাবী চিকিৎসক স্যামুয়েল চৌধরি সতর্ক করছেন, কোন ভুলে সমস্যা বাড়তে পারে। আবার কী ভাবে রাখলে তা সুরক্ষিত থাকতে পারে এমন পরামর্শও দিচ্ছেন তিনি।
বাইরে খাবার রাখা
অনেক সময় দেখা যায় পার্টিতে রাখা খোলা বা ঢাকা দেওয়া খাবার দীর্ঘ ক্ষণ বাইরে রাখার পরে শেষ মুহূর্তে ফ্রিজে ভরা হল। চিকিৎসক সতর্ক করছেন, খাবার যত বেশিক্ষণ ঘরের তাপমাত্রায় রাখা থাকবে, ততই বিষক্রিয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে। বাড়তি খাবার রাখতে হলে, যত দ্রুত সম্ভব ফ্রিজে ভরে দেওয়া দরকার। বায়ু নিরোধী কৌটোয় রাখলে তা ভাল থাকবে।
গরম খাবার ফ্রিজে ভরা
গরম খাবার ফ্রিজে ভরে দিলেও সমস্যা হতে পারে। হঠাৎ করে গরম খাবার ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করাটা ঠিক নয়। কেউ আবার খাবার দ্রুত ঠান্ডা করতে ডিপ ফ্রিজে ভরে দেন। এতে কিন্তু খাবার ঠান্ডা হওয়ার আগে বেশ কিছুক্ষণ গরম থাকে। হঠাৎ করে তাপমাত্রার পতন, খাবার সংরক্ষণের সঠিক পন্থা নয়। খাবার ঘরের তাপমাত্রায় আসার পরে সেটি ফ্রিজে ভরা দরকার।
বার বার গরম করা
অনেকেই ফ্রিজ থেকে খাবার বার করেন। বাইরের তাপমাত্রায় রেখে দেন। তার পরে যতটুকু দরকার নিয়ে আবার বাকি খাবার ফ্রিজে রাখেন। এই ভাবে একটি খাবার বাইরের তাপমাত্রায় রাখা, আবার তা ফ্রিজে ভরে বার বার গরম করে খাওয়া একেবারেই স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসক।
ঝুঁকি
সাধারণত যে খাবারে জলের ভাগ কম থাকে সেই খাবার দ্রুত নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে। রান্না করা মাংস, পাস্তা, তরল দুধ— এগুলিতে জীবাণুর আক্রমণ দ্রুত হয়। এগুলি দ্রুত নষ্ট হতে পারে।
অনেকেই মনে করেন, পেটখারাপ সাধারণ ব্যাপার। ওষুধ খেলে ঠিক হয়ে যাবে। তবে চিকিৎসক সতর্ক করছেন, পেটখারাপ বা খাদ্যে বিষক্রিয়া অনেক সময় শরীরের পক্ষে ভীষণ ক্ষতিকর হতে পারে। তাই এই ব্যাপারে শুরু থেকে সাবধান হওয়া প্রয়োজন।