Advertisement
E-Paper

অতিরিক্ত ধূমপানেও কি টাক পড়ে? চুল ওঠার সঙ্গে ধূমপানের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করলেন বিজ্ঞানীরা

ধূমপান বেশি করলে চুল পড়ার সমস্যা বাড়ে? নতুন গবেষণায় কী দাবি করলেন বিজ্ঞানীরা?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৪:৩১
Research shows a clear link between smoking and hair loss

ধূমপানের সঙ্গে চুল পড়ার কী সম্পর্ক? ফাইল চিত্র।

টাক পড়তে থাকলে, দুঃখ তো হবেই। তবে চুল উঠে যাওয়ার কারণ শুধু বংশগত নয়, এর নেপথ্যে ধূমপানেরও বড় ভূমিকা আছে। এমনটাই দাবি ইংল্যান্ডের বিজ্ঞানীদের। অতিরিক্ত ধূমপান যাঁরা করেন, তাঁদের চুল বেশি ওঠে। কেন এমন হয়, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন গবেষকেরা।

ধূমপানের সঙ্গে চুল পড়ার কী সম্পর্ক?

প্রথমত, চুলের গোড়ায় পুষ্টি ও অক্সিজেন পৌঁছোনোর জন্য সূক্ষ্ম রক্তনালির প্রয়োজন হয়। কিন্তু অতিরিক্ত নিকোটিন এই রক্তনালিগুলিকে সঙ্কুচিত করে দেয়। ফলে রক্ত চলাচল বাধাপ্রাপ্ত হয়। এতে পুষ্টির অভাবে চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে গিয়ে চুল পড়ার সমস্যা বাড়ে।

তামাকের ধোঁয়ায় প্রচুর ক্ষতিকারক রাসায়নিক থাকে, যা চুলের কোষের ডিএনএ নষ্ট করে দিতে পারে। এতে মাথার ত্বকে প্রচণ্ড প্রদাহ তৈরি হয়, যে কারণে চুলের গোড়া নষ্ট হতে থাকে।

সাধারণত দেখা গিয়েছে অ্যান্ড্রোজেন, ডাইহাইড্রোটেস্টোস্টেরন হরমোনের তারতম্যে চুল পড়ার সমস্যা বাড়ে। প্রথমে চুল উঠে কপালের দু’ধার প্রশস্ত হয়ে যায়। তার পরে মাথার উপরের দিকের চুল উঠে টাক পড়তে থাকে। একে বলে অ্যান্ড্রোজেনিক অ্যালোপেসিয়া। অতিরিক্ত ধূমপান করলে নিকোটিন রক্তে প্রবেশ করে ওই হরমোনগুলির তারতম্য ঘটাতে থাকে। এই কারণেও চুল পড়ার সমস্যা বাড়তে পারে।

তাইওয়ান ও তুরস্কেও বিষয়টি নিয়ে গবেষণা চলছে। গবেষকেরা লিখেছেন, যাঁর পরিবারে টাক পড়ার ইতিহাস আছে এবং যিনি দিনে ২০টির বেশি সিগারেট খান, তাঁর টাক পড়ার সম্ভাবনা অধূমপায়ীদের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

চুল পড়া কেবল নয়, চুল পেকে যাওয়ার জন্যও ধূমপানকে দায়ী করেছেন গবেষকেরা। জানিয়েছেন, অকালে চুল পেকে যাওয়ার একটি বড় কারণ হতে পারে অতিরিক্ত ধূমপান। কারণ নিকোটিন এবং অন্যান্য রাসায়নিক চুলের গোড়ায় থাকা মেলানিন রঞ্জকগুলি নষ্ট করতে থাকে। এই মেলানিনই চুলের রং ধরে রাখে। কাজেই রঞ্জক যদি নষ্ট হয় ও নতুন করে তৈরি হতে না পারে, তখনই চুল পাকার সমস্যা বাড়ে।

ধূমপান ছেড়ে দিলেই যে আবার একমাথা চুল গজাবে তা নয়। তবে চুল পড়ার মুহূর্ত থেকেই যদি সতর্ক থাকা যায়, ধূমপানের পরিমাণ কমিয়ে ফেলা যায়, তা হলে মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালনের প্রক্রিয়াটি স্বাভাবিক হবে। এমনটাই দাবি গবেষকদের। এতে চুলের গোড়ায় ভিটামিন ও খনিজ পৌঁছোবে স্বাবাবিক উপায়ে, ফলে চুলের পুষ্টি ও বৃদ্ধি দুইই হবে।

smoking Hair Loss
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy