সকালের ঝিমুনি হোক বা অফিসের ক্লান্তি কাটানো, গরম এক কাপ চা-ই হতে পারে সহজ সমাধান। আয়েস করে চায়ে চুমুক দেওয়ায় কেমন তৃপ্তি, তা চা-প্রেমীরা ভালই বোঝেন।
তবে চায়ে চুমুক দিতে গিয়েই কি অজান্তে স্বাস্থ্যের সঙ্গে আপস করছেন? পুষ্টিবিদ নমামি অগ্রবাল জানাচ্ছেন, খাবারের সঙ্গে চা খেলে কখনও কখনও আয়রন শোষণে সমস্যা হতে পারে। তার কারণ চায়ে থাকে ট্যানিন। আয়রন শোষণে বাধা সৃষ্টি করে এই উপকরণটি। ফলে, পুষ্টিকর ভেবে হয়তো পালংয়ের পরোটা খাচ্ছেন কিংবা বিটের কবাব, তার পরেই চায়ে চুমুক দিলে পুষ্টিগুণ শোষণ খানিক কঠিন হতে পারে।
চা বাদ দিতে হবে না। তবে চা খাওয়ারও সময় আছে, মনে করাচ্ছেন পুষ্টিবিদ। নমামির পরামর্শ, ভাল হয় যদি খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চা না খাওয়া হয়। খাওয়ার অন্তত ১-২ ঘণ্টা পরে চা খাওয়া যেতে পারে।
আরও পড়ুন:
পাশাপাশি তিনি জানাচ্ছেন, আয়রন শোষণের মাত্রা বাড়বে ভিটামিন সি-এর সঙ্গে যদি তা খাওয়া হয়। লেবু, পেয়ারার মতো ফলে ভিটামিন সি রয়েছে। ক্যাপসিকামেও মেলে ভিটামিন সি। আয়রন শোষণের মাত্রা বৃদ্ধি করতে হলে তালিকায় রাখা দরকার মরসুমি ফল, টাটকা সব্জি।
কখন চা খাওয়া ভাল
· সকাল শুরু করাই যায় চা দিয়ে। তবে গ্রিন টি বা কালো চায়ে চুমুক দেওয়াই ভাল। একেবারে খালিপেটে চা না খাওয়াই ভাল। অম্বলের সমস্যা থাকলে বাদ দিতে হবে চিনিও।
· সন্ধ্যাবেলাতেও চা খাওয়া যায়। খেয়াল রাখতে হবে দুপুরের খাওয়া আর চা খাওয়ার সময়ের মধ্যে যেন ২-৩ ঘণ্টার বিরতি থাকে।
· নৈশভোজের ঘণ্টা খানেক পরে ভেষজ চায়ে চুমুক দেওয়া যেতে পারে।এই সময় ক্যাফিন মুক্ত ক্যামোমাইল বা পুদিনা চা খাওয়া ভাল। এই ধরনের চা হজমে সহায়ক।