২ এপ্রিল ২০২৬, বৃহস্পতিবার হনুমানজয়ন্তী। পবিত্র এই দিনে বজরংবলীর আরাধনায় বিশেষ ফলপ্রাপ্তি হয়। হনুমানজির পুজোর এক বিশেষ অংশ হনুমান চালিশা পাঠ করা। হনুমান চালিশা পাঠ না করলে বজরংবলীর পুজো অসম্পূর্ণ থেকে যায় বলে বিশ্বাস। তবে হনুমান চালিশা পাঠেরও নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। সে সকল নিয়ম মেনেই হনুমান চালিশা পাঠ করা উচিত। অন্যথায় রুষ্ট হন বজরংবলী। হনুমানজয়ন্তীর আগে জেনে নিন, কোন নিয়মগুলি মেনে হনুমান চালিশা পাঠ করতে হবে।
আরও পড়ুন:
হনুমান চালিশা পাঠের নিয়ম:
- হনুমানমন্দিরে গিয়ে পাঠ করুন বা বাড়িতে, হনুমান চালিশা পাঠের পূর্বে একটি প্রদীপ জ্বালানো আবশ্যিক। এ ক্ষেত্রে তিলের তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। সর্ষের তেল বা ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালালেও অসুবিধা নেই।
- তার পর মেঝেতে একটি লাল রঙের আসন পাতুন। লাল রং বজরংবলীর অত্যন্ত প্রিয়। তাই এই রঙের আসনের উপর বসেই হনুমান চালিশা পাঠ করতে হবে। মেঝের উপর বসে হনুমান চালিশা পাঠ করা যাবে না।
আরও পড়ুন:
-
পূর্ণিমার সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে লক্ষ্মী এবং বিষ্ণুর! চৈত্রপূর্ণিমায় তুলসীগাছে বিশেষ চার উপায় পালনে ইচ্ছাপূরণ সম্ভব
-
আয়না ছাড়াও শোয়ার ঘরে রাখা নিষেধ আরও দুই জিনিস, অন্যথায় দাম্পত্যজীবন সুখের হয় না! কোন জিনিসগুলি রাখবেন না?
-
বাস্তুকে অশুভ শক্তি থেকে রক্ষা করতে হনুমানজয়ন্তীর দিন বাড়িতে আনুন চার জিনিস, সৌভাগ্য সঙ্গ ছাড়বে না!
- যে কোনও পুজোর আগে যেমন গণেশকে স্মরণ করা হয়, হনুমান চালিশা পাঠের পূর্বেও সেই কাজ করতে হবে। এরই সঙ্গে বজরংবলীর প্রভু রামকে স্মরণ করতে হবে। ‘শ্রী গণেশায় নমো’ এবং ‘শ্রী রামায় নমো’ এই দুই মন্ত্র হনুমান চালিশা পাঠের পূর্বে উচ্চারণ করতে হবে।
- এর পর বজরংবলীর সামনে সংকল্প করুন। হাতে অল্প জল নিয়ে তাঁর পায়ে দিন এবং তাঁকে জানান যে হনুমান চালিশাটি আপনি সম্পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে পাঠ করছেন।
- মনোবাসনা পূরণের জন্য ২১ বার হনুমান চালিশা পাঠ করা যেতে পারে। তবে সবচেয়ে ভাল হয় যদি ১০৮ বার পাঠ করতে পারেন। এতে হনুমানজি অত্যন্ত খুশি হন। জীবনের সকল দুঃখের অবসান ঘটে।