কথায় বলে, জন্মের সময়ই আমাদের ভাগ্য লেখা হয়ে যায়। এ কথা পুরোপুরি মিথ্যা নয়। আমরা কোন তারিখে, কোন সময় জন্মাচ্ছি তার উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। বিশেষ করে, যে কোনও মানুষের জন্মতারিখ তাঁর ভাগ্যবিচারের নিরিখে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শাস্ত্র জানাচ্ছে, যে সকল ব্যক্তি কোনও বিশেষ উৎসব বা পুজোর দিন জন্মান, তাঁদের মধ্যে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। সাধারণ দিন আর শাস্ত্রমতে গুরুত্বপূর্ণ দিনের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। তাই সেই বিশেষ দিনগুলিতে জন্মানো ব্যক্তিরাও বাকি পাঁচ জনের থেকে একটু হলেও আলাদা হন। কোন বিশেষ দিনে জন্মালে কী বৈশিষ্ট্য দেখা যায়, জেনে নিন।
আরও পড়ুন:
দুর্গাপুজো: দুর্গাপুজোর পাঁচ দিনের মধ্যে যে সকল জাতক-জাতিকা জন্মান, তাঁরা অত্যন্ত কর্মঠ এবং সাহসী হন। কোনও কাজ করতে ভয় পান না। অতিরিক্ত পরিশ্রম করাতেও এঁদের আপত্তি নেই। এই সকল ব্যক্তি অত্যন্ত দয়ালু হন। যে কোনও প্রয়োজনে অপরের পাশে দাঁড়ান।
দীপাবলি: দীপাবলির দিন জন্মানো জাতক-জাতিকাদের মধ্যে জন্মগত ভাবে নেতৃত্বদানের ক্ষমতা থাকে। এঁরা হাসিখুশি হন, সকলের সঙ্গে মিলেমিশে থাকতে পছন্দ করেন। জীবনে প্রচুর সফলতা অর্জন করতে পারেন।
আরও পড়ুন:
শিবরাত্রি: যে সকল জাতক-জাতিকার জন্ম শিবরাত্রিতে হয়, তাঁরা মানসিক দিক থেকে অত্যন্ত শক্ত হন। অল্পে ভেঙে পড়েন না। যে কোনও পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারেন। নিজের মধ্যে থাকা খারাপ অভ্যাসগুলি ঝেড়ে ফেলে, প্রয়োজনে ব্যক্তিত্বে বদল আনাতেও না নেই এঁদের।
জন্মাষ্টমী: জন্মাষ্টমীর দিন জন্মানো জাতক-জাতিকারা অত্যন্ত সুশীল হন। এঁদের ব্যক্তিত্ব সকলের নজর কাড়ে। নতুন চিন্তাভাবনা এঁদের কাছে সব সময় পাওয়া যায়। সেগুলিকে বাস্তবে কাজে লাগাতে পছন্দ করেন এঁরা।
আরও পড়ুন:
গণেশ চতুর্থী: যে সকল জাতক-জাতিকা গণেশ চতুর্থীর দিন জন্মান, তাঁরা অত্যন্ত বুদ্ধিমান হন। যে কোনও সমস্যার সমাধান এঁদের কাছে পাওয়া যায়। এ সকল ব্যক্তি যে কোনও বিষয়ের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারেন। এঁদের সিদ্ধান্তগ্রহণের ক্ষমতাও হয় প্রশংসনীয়।
সরস্বতীপুজো: সরস্বতীপুজোর দিন জন্মানো জাতক-জাতিকারা পড়াশোনায় খুব ভাল হন। এঁরা নম্র-ভদ্র প্রকৃতির হয়ে থাকেন। তবে অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করা থেকেও পিছপা হন না। যে কোনও সৃজনশীল কাজের প্রতি এঁদের ঝোঁক একটু বেশি থাকে।