৩ মার্চ দোলযাত্রা উৎসব। এই উৎসবে সকলে মিলেমিশে রং খেলেন। নিজেদের খুশির রঙে রাঙিয়ে তোলার উৎসব হল দোলযাত্রা। ফাল্গুনের পূর্ণিমা তিথিতে পালিত হয় রঙের উৎসব দোল। সেই কারণে অনেকে এই দিন বাড়িতে রাধা-কৃষ্ণ, সত্যনারায়ণ প্রভৃতি দেব-দেবীর পুজো করে থাকেন। জীবনের নানা সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য দোলের দিন নানা উপায় পালনের কথা বলা রয়েছে জ্যোতিষশাস্ত্রে। তবে রং খেলা বাদ দিয়ে সে সকল টোটকা পালনের সময় বার করা সকলের পক্ষে সম্ভব হয় না। এমনও এক টোটকা আছে যা পালনে ঋণের বোঝা ঘাড় থেকে নামবে, অর্থসমস্যা কেটে গিয়ে শুরু হবে সুখের সময়। সময় বার করে সহজ এই টোটকা যদি দোলের দিন পালন করতে পারেন, তা হলে টাকার সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে। টোটকাটি কী, জেনে নিন।
আরও পড়ুন:
টোটকা:
দোলের দিন কোনও গণেশমন্দিরে যান এবং গণেশকে দুর্বার মালা অর্পণ করুন। দুর্বার মালাটি যেন কোনও ভাবে শুকনো বা পচা না হয় তা খেয়াল রাখতে হবে। সেই মালাটি অর্পণ করার আগে তার মধ্যে সাদা চন্দন লাগিয়ে দিতে হবে। গণেশের গলায় মালাটি পরানোর সময় ‘সিদ্ধিদাতায় নমো’ মন্ত্রটি জপ করুন। ২১ বার এই মন্ত্রটি জপ করতে হবে। নৈবেদ্য হিসাবে দিন গুড় এবং ঘি। মন চাইলে গুড় এবং ঘিয়ের সঙ্গে অন্যান্য নৈবেদ্যও দিতে পারেন। কিন্তু গুড় এবং ঘি দিতেই হবে। এই কাজটি দোলের দিন যে কোনও সময়ে করতে পারেন। তবে অবশ্যই গ্রহণ লাগার আগে বা পরে করতে হবে। যদি বাড়িতে গণেশের প্রতিষ্ঠিত মূর্তি থাকে, তা হলে বাড়িতেই পুজো করা যাবে। সে ক্ষেত্রে আর মন্দিরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।
আরও পড়ুন:
ফলাফল:
এই টোটকা সঠিক নিময়ানুসারে করতে পারলে যাঁরা অতিরিক্ত ঋণে জড়িয়ে পরেছেন, তাঁরা ঋণ থেকে মুক্তি পাবেন। এরই সঙ্গে যাঁদের জীবনে দুঃখ-কষ্টে ভরে রয়েছে, তাঁদের জীবনে সুখ ফিরবে। টাকা-পয়সার সমস্যা থাকলে সেটিও মিটে যেতে পারে।