বাড়িতে নিত্যপুজো করার অভ্যাস আমাদের বহু বছর ধরেই চলে আসছে। অনেকেই নিত্যপুজো না করে নিজের দিনটা শুরু করেন না। নিত্যপুজো হল প্রতি দিন সকালে স্নানান্তে শুদ্ধচিত্তে ঈশ্বরের আরাধনা। এটি হল শান্তি, আত্মিক উন্নতি ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি পবিত্র মাধ্যম। ঠাকুরকে ভক্তিভরে ফুল, ধূপ, দীপ, নৈবেদ্য এবং অর্ঘ্য নিবেদন করাই হল নিত্যপুজো। প্রতি দিনের এই অভ্যাস সংসারে ইতিবাচক শক্তি ভরে রাখে এবং প্রতিটা দিন সুন্দর করে তোলে। এই পুজোঘরকে ঘিরে বাস্তুমতে বিশেষ কয়েকটা টোটকার কথা বলা হয়েছে যা ভাল থাকার জন্য মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।
আরও পড়ুন:
টোটকা:
১) প্রতি শনিবার ঠাকুরঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করুন। কারণ শনিবার ঠাকুরঘর পরিষ্কার করলে বাড়িতে পবিত্র ভাব বজায় থাকে এবং সংসারে উন্নতি হয় দ্বিগুণ।
২) ঠাকুরের সিংহাসন পরিষ্কার করার সময় ঠাকুরের বিগ্রহ কখনও মাটিতে রাখা যাবে না। শুদ্ধ কাপড় বা জলচৌকি পেতে তার উপর ঠাকুর রাখতে হবে।
৩) কোনও শুভ দিনে, যেমন একাদশী, পূর্ণিমা, অমাবস্যা, আরও যে কোনও শুভ তিথিতে ঠাকুরঘর পরিষ্কার করতে নেই। এতে মা লক্ষ্মী রুষ্ট হন।
আরও পড়ুন:
৪) প্রতি দিন ঠাকুরঘরে গঙ্গাজল অবশ্যই ছিটিয়ে দিতে হবে। যদি ঠাকুরঘর পরিষ্কার করা হয় তা হলে অবশ্যই গঙ্গাজল ছিটিয়ে তার পর পুজো করতে হবে।
৫) ঠাকুরের সামনে যে প্রদীপ দেওয়া হয় তা প্রতি দিন পরিষ্কার করে নতুন প্রদীপ সাজিয়ে তার পরই প্রদীপ জ্বালুন। এর ফলে সংসারের মঙ্গল হয়।
৬) প্রতি দিন সন্ধ্যা দেওয়ার সময় কর্পূর অবশ্যই জ্বালুন। এতে ঘরে পজ়িটিভ শক্তি বজায় থাকে।
৭) স্নান করে তবেই পুজো করতে হয় এবং মাটিতে বসে কখনও পুজো করতে নেই।