ভগবান শিবকে সন্তুষ্ট করা সহজ। আমরা প্রায় সকলেই সেটা জানি। কিন্তু মহাদেব যেমন অল্পেই খুশি হন, তেমনই তিনি অল্পেই কুপিতও হন। তবে শিবের আশীর্বাদ যদি এক বার আপনার উপর বর্তায়, তখন স্বয়ং শনিদেবও আপনার ক্ষতি করতে পারবেন না। যে কোনও কাজেই সফল হবেন। রোগব্যাধির চিন্তাও দূর হবে। তবে যে কোনও কিছু দিয়ে মহাদেবের পুজো করলেই তিনি খুশি হন না। বিশেষ কিছু জিনিস রয়েছে যা মহাদেবের পুজোর ব্যবহার করা অনুচিত। অন্যথায় খারাপ কর্মফল ভোগ করতে হয়। এ সমস্ত জিনিস শিবকে দান করলে শনিদেবও রুষ্ট হন বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র। গতজন্মের কর্মের ফলও এ জন্মে ভোগ করতে হতে পারে। কোন জিনিসগুলি দেওয়া নিষেধ, জেনে নিন।
আরও পড়ুন:
মহাদেবকে কোন জিনিসগুলি দিলে খারাপ কর্মফল ভোগ করতে হতে পারে?
তুলসীপাতা: মহাদেব তুলসীপাতা মোটেই পছন্দ করেন না। তাই তাঁর পুজোর তুলসীপাতা ব্যবহার করলে খারাপ কাজের ফল ভোগ করার প্রবণতা বৃদ্ধি পায় বলে মনে করা হয়।
শঙ্খ: হিন্দু ধর্মে পুজোয় শঙ্খ বাজানোর চল রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে জলশঙ্খ ব্যবহার করতেও দেখা যায়। কিন্তু শিবের পুজোয় শঙ্খের ব্যবহার করা অনুচিত। অন্যথায় গত জন্মে করা খারাপ কাজের কর্মফলও এ জন্মে ভোগ করতে হতে পারে।
হলুদ: হিন্দু ধর্মে পুজোয় হলুদ ব্যবহারের চল রয়েছে। কিন্তু শিবের পুজোর হলুদ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।
আরও পড়ুন:
লাল রঙের ফুল: লাল রঙের ফুল মহাদেব মোটেই পছন্দ করেন না। এই ফুলের ব্যবহারেও খারাপ কর্মফলের প্রভাব ভোগের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায় বলে মনে করা হয়।
নারকেলের জল: অনেকেই শিবের মাথায় নারকেলের জল ঢালেন। তবে এ কাজ করা মোটেই উচিত নয়। ভোলেবাবার আরাধনায় এ জিনিস ব্যবহার করলে জীবনে দুঃখের শেষ থাকে না।
কেতকীফুল: শিবশম্ভুর অত্যন্ত অপছন্দের জিনিস কেতকীফুল। এই ফুল দানে রুষ্ট হন ভোলেবাবা। খারাপ কাজের ফল ভোগ করতে করতে জীবন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে।
আরও পড়ুন:
সিঁদুর: সিঁদুর সাধারণত দেবীদের পুজোয় ব্যবহার করা হয়। শিবের পুজোয় সিঁদুর ব্যবহার করা অনুচিত।
সাদা তিল: অনেকেই শিবের পুজোয় কালো তিল ব্যবহার করেন। তবে কালো তিল না পেলে সাদা তিল দিয়ে মহাদেবের পুজো করা যাবে না।