অনেক সময়েই দেখা যায় যে কাজই করতে যাচ্ছেন, তা কোনও ভাবেই সফল হচ্ছে না, একটুর জন্য সাফল্য অধরা থেকে যাচ্ছে। আবার কখনও-সখনও দীর্ঘ অসুস্থতায় ভুগতে হয়। হাজার ডাক্তার-বদ্যি করে, নিয়ম মেনে চলেও শরীর সারতে চায় না। এর কারণ হতে পারে নজরদোষ বা শত্রুর কুদৃষ্টি। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, ঈর্ষা তো বটেই, এমনকি অতিরিক্ত প্রশংসা থেকেও ‘নজর’ লাগতে পারে। মনে করা হয়, মানুষের দৃষ্টির মাধ্যমে এক ধরনের নেতিবাচক শক্তি প্রবাহিত হয়, যা অন্য ব্যক্তির ক্ষতি, অসুস্থতা বা কাজে বাধার সৃষ্টি করে।
এই সঙ্কট থেকে মুক্তির একটি উপায় জানাচ্ছে জ্যোতিষশাস্ত্র। জেনে নিন সেটি কী—
আরও পড়ুন:
একটি নারকেল নিন। বাড়িতে গাছ থাকলে তো খুবই ভাল হয়। তবে শহরাঞ্চলে বাজারই ভরসা। তবে, বাজার থেকে নারকেল কেনার সময় একটি বিষয়ে খুব সতর্ক থাকতে হবে। ভুল করেও দরাদরি করা চলবে না। দোকানদার যে দামে বলবেন, সেই একদরে নারকেলটি কিনে আনতে হবে বলে জানাচ্ছেন শাস্ত্রবিদেরা।
এর পর নিজের দৈর্ঘ্যের সমান মাপের একটি লাল সুতো নেওয়ার কথা বলছেন জ্যোতিষীরা। এ বার ওই লাল সুতোটি নারকেলটির গায়ে ভাল ভাবে পেঁচিয়ে নিন। সব শেষে একটি গিঁট দিয়ে নিন, যাতে কোনও ভাবেই সেটি খুলে না যায়। এর পর এই নারকেলটিকে কোনও প্রবাহিত জলে ভাসিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। নারকেলটি জলের ভাসানোর সময় অবশ্যই স্নান সেরে পরিষ্কার জামাকাপড় পরে থাকবেন। আর নিজের ইষ্টদেবতাকে স্মরণ করবেন।
আরও পড়ুন:
মনে রাখবেন, পুকুরের জলে ভাসালে কিন্তু ফল পাবেন না। নদীর মতো প্রবাহিত জলেই ভাসাতে হবে। হিন্দু ধর্মে গঙ্গা নদীকে অত্যন্ত পবিত্র বলে মনে করা হয়। তাই জ্যোতিষবিদদের মতে, এই নদীতেই লাল সুতো জড়ানো নারকেলটি ভাসানো সবচেয়ে ভাল হবে।
পর পর তিন সপ্তাহ এই টোটকাটি পালন করতে পারলেই জীবনে একটি শুভ পরিবর্তন টের পাবেন বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র।