আমরা বাড়িতে যে সকল কাজ করি সে সবের উপরই নির্ভর করে আমাদের বাস্তুর সুস্থতা। সেই কারণে ঘরের যে কোনও কাজ নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে করার নিদান দেন বাস্তুবিদেরা। না হলে ক্ষতি আমাদেরই হয়। নিজেদের তথা ঘর-বাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার লক্ষ্যে প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই জামাকাপড় ধোয়া হয়। কেউ জামাকাপড় কাচার মেশিন ব্যবহার করেন, কেউ নিজের হাতেই কাচেন। ব্যস্ত জীবনে অনেকে অফিস থেকে বাড়ি ফিরেও এই কাজ করে থাকেন। কিন্তু বাস্তুশাস্ত্র জানাচ্ছে, জামাকাপড় ধোয়াকাচার ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু নিয়ম মাথায় রাখা জরুরি। অন্যথায় ভাগ্যের উপর কুপ্রভাব পড়ে। এরই সঙ্গে সপ্তাহের বিশেষ কিছু দিন কাপড় কাচা উচিত নয়। সেই বিষয়টিও মাথায় রাখা জরুরি।
আরও পড়ুন:
সপ্তাহের কোন দিনগুলি কাপড় কাচার জন্য শুভ নয়?
মঙ্গলবার: মঙ্গলবার দিনটিকে শক্তি ও সাহসের দিন মনে করা হয়। এই দিন কাপড় কাচা উচিত নয় বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র। অন্যথায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। মানসিক শান্তির বিঘ্ন ঘটে।
বৃহস্পতিবার: বৃহস্পতিবার দিনও কাপড় ধোয়া উচিত নয়। এই দিনটি বিষ্ণু ও বৃহস্পতি গ্রহের জন্য উৎসর্গীকৃত। এই দিনে কাপড় কাচলে বৃহস্পতি গ্রহ দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে আর্থিক ক্ষেত্রে নানা সমস্যা দেখা দেয়।
শনিবার: শনিবার বাড়ির যে কোনও কাজই অত্যন্ত সাবধানতার সঙ্গে করার নিদান দেন জ্যোতিষীরা। বাস্তুশাস্ত্র মতে, শনিবার পুরনো জামাকাপড় কাচলে শনিদেব রুষ্ট হতে পারেন। এর ফলে শনির দোষের শিকার হতে হয়।
আরও পড়ুন:
কাপড় কাচার সময় কোন বিষয়গুলি মাথায় রাখা জরুরি?
- অনেকেই সকালে কাপড় কেচে ছাদে শুকোতে দেওয়ার পর সারা রাত সেগুলি ছাদেই রেখে দেন। কিন্তু শাস্ত্র জানাচ্ছে এই কাজ করা উচিত নয়। রাতে জামাকাপড় শুকোতে দিতে নেই। সেই সময় নেগেটিভ শক্তিরা অনেক বেশি সক্রিয় থাকে। পরবর্তী কালে সেই জামাকাপড় যখন পরা হবে, তখন নেগেটিভ শক্তি আমাদের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।
- জামাকাপড় ধোয়ার সময় সেই জলে এক চিমটে নুন দিয়ে দিতে পারেন। এতে জামাকাপড়ে থাকা অশুভ শক্তির থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন:
- সব সময় সকালবেলা জামাকাপড় কাচা উচিত। সূর্যাস্তের পর এই কাজ না করাই ভাল বলে জানাচ্ছে বাস্তুশাস্ত্র। তবে সূর্যাস্তের পর যদি জামাকাপড় কাচারই হয়, তা হলে সেগুলিকে সকালের আগে শুকোতে দেওয়া যাবে না।
- একাদশী ও অমাবস্যা তিথিতে জামাকাপড় কাচাধোয়ার কাজ এড়িয়ে চলতে হবে।