যে কোনও ব্যক্তির ভবিষ্যৎ জানার উত্তম উপায় হল জ্যোতিষশাস্ত্র। জন্মছক দেখে যেমন একজন ব্যক্তির ভাগ্য ও ভবিষ্যৎ বর্ণনা করা যায় তেমনই সমুদ্রশাস্ত্রের মাধ্যমেও ভাগ্য নির্ধারণ করা সম্ভব। সমুদ্রশাস্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা হস্তরেখা। হাতের রেখার মধ্যেও ফুটে ওঠে মানুষের চারিত্রিক স্বভাব। হস্তরেখা সঠিক ভাবে যাচাই করলে যে কোনও ব্যক্তির সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাওয়া যায়। রেখাগুলির পাশাপাশি হাতে অনেক ধরনের চিহ্ন বা প্রতীক ফুটে ওঠে। এই প্রতীকগুলির শুভ এবং অশুভ উভয় প্রভাব রয়েছে।
এক এক চিহ্ন এক এক ক্ষেত্রে ভিন্ন ফল দান করে। তাদের মধ্যে কাটা বা ক্রস একটি গুরুত্বপূর্ণ চিহ্ন। এই চিহ্নটি কোনও জাতক বা জাতিকার হাতে বিশেষ জায়গায় দেখা গেলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তা ভাগ্যের প্রতিকূল ফলাফল দেয়। আসুন জেনে নেওয়া যাক কোন স্থানে কাটা চিহ্নটি থাকলে কী কী ফল দান করে।
যদি কোনও ব্যক্তির তালুতে শনি অঞ্চলে, অর্থাৎ মধ্যমা আঙুলের নীচে কাটা চিহ্নটি থাকে এবং এটি ভাগ্যরেখা স্পর্শ করে, তা হলে সেই ব্যক্তির দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেশি। কাটা চিহ্নটি যদি শনি অঞ্চলে থাকে, তা হলে ব্যক্তির জীবনে হতাশার ছায়া নেমে আসে। জাতক বা জাতিকার জীবনে অলসতা ও উদ্যমের অভাব দেখা দেয়।
যদি সূর্য অঞ্চলে অর্থাৎ অনামিকা আঙুলের নীচে কাটা চিহ্নটি বর্তমান হয় তা হলে সেই ব্যক্তি জীবনে সাফল্য অর্জন করতে গিয়ে প্রবল বাধার সম্মুখীন হন। অধিকাংশ প্রচেষ্টাই ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। তালুর কনিষ্ঠ আঙুলের নীচের অংশটিকে বুধ অঞ্চল বলা হয়। এই স্থানে চিহ্নটি বিদ্যমান হলে ব্যক্তির সততার অভাব হয় যার কারণে তারা সাফল্য অর্জন করে না।
মঙ্গল অঞ্চলটি তালুর মাঝখানে অবস্থিত। যদি এই অঞ্চলে কাটা চিহ্ন নজরে পড়ে তা হলে সেই ব্যক্তি কলহপ্রিয় স্বভাবের অধিকারী হন। তাঁদের জীবনে শত্রুর অভাব হয় না । যদি বুড়ো আঙুলের নীচে শুক্র অঞ্চলে কাটা থাকে, তা হলে প্রেমের ক্ষেত্রে জাতক বা জাতিকা প্রবল অসুখী হন।