প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, রাস্তার পড়ে থাকা বিভিন্ন জিনিস কখনও পাড়িয়ে ফেলতে নেই। শাস্ত্রেও এ নিয়ে নানা নিষেধাজ্ঞা দেওয়া রয়েছে। বিশেষ করে, পুজোর ফুল, লেবু-লঙ্কা, কাপড়ের টুকরো প্রভৃতি জিনিসে পা ফেলতে নিষেধ করেন বাড়ির বড়রা। সে সকল জিনিসে পা পড়লে আমাদের উপর অশুভ প্রভাব পড়ে বলে মনে করা হয়। নানা দিক থেকে সমস্যায় জড়িয়ে পড়তে হয়। সফলতার পথে বিভিন্ন বাধা চলে আসে। যদিও রাস্তায় হাঁটার সময় সর্বদা কিসে পা পড়ে যাচ্ছে সেই বিষয়ে সচেতন থাকা সম্ভব হয় না। সে ক্ষেত্রে দোকান থেকে খুলে ফেলা লঙ্কা-লেবু হোক বা পুজোর ফুল, যে কোনও কিছুতে পা পড়ে যেতেই পারে। এর ফলে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও, সেই অশুভ প্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়ের কথাও শাস্ত্রে বলা রয়েছে। এমন হলে কী করবেন, জেনে নিন।
আরও পড়ুন:
-
ঘুমের জগতে উদ্ভট স্বপ্নের আনাগোনা দিন দিন বেড়েই চলেছে? চার অদ্ভুত স্বপ্ন বয়ে আনে আগত খুশির বার্তা!
-
এপ্রিলে টাকা ধার দিলে সমস্যায় পড়তে পারেন কারা? শত্রুর জন্য বিব্রত হতে হবে কোন রাশিকে? খোঁজ দিলেন জ্যোতিষী
-
জ্ঞানের ভান্ডার হয় পরিপূর্ণ, দানেও কার্পণ্য নেই! বৃহস্পতির প্রভাব থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে আর কোন গুণ দেখা যায়?
রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় লঙ্কা-লেবুতে পা পড়ে গেলে কী করবেন?
ঘরে ঢোকার আগে জুতো ভাল করে ধুয়ে নিন। তার পর একমুঠো নুন নিয়ে তাতে অল্প জল দিয়ে হাত-পা ভাল করে ঘষে ধুয়ে নিতে হবে। এর পর ঘরে ঢুকে সোজা স্নানে যেতে হবে। স্নানের জলে কয়েক ফোঁটা গঙ্গাজল ও সৈন্ধব লবণ মিশিয়ে স্নান করুন। স্নান সেরে বেরিয়ে একটা ফটকিরির টুকরো নিয়ে মাথার চারপাশে সাত বার ঘুরিয়ে দরজার বাইরে ফেলে দিন। তার পর সাতটা লবঙ্গ নিয়ে পুনরায় মাথার চারিপাশে সাত বার ঘোরান। এ বার সেই লবঙ্গগুলো একটা মাটির প্রদীপে কর্পূরের সঙ্গে জ্বালান। সেই ধোঁয়া সারা বাড়িতে ছড়িয়ে ছাইটা বাড়ির বাইলে ফেলে দিন। সব শেষে তিন বার হনুমান চালিশা পাঠ করুন। এর ফলে সেই অশুভ শক্তি আপনার কোনও ক্ষতি করতে পারবে না। বাড়িতেও নেগেটিভ শক্তির প্রবেশ বাধাপ্রাপ্ত হবে।