জ্যোর্তিবিজ্ঞান অনুসারে, রাহু-কেতু হল গাণিতিক বিন্দু বা নোড মাত্র। রাহু উত্তর এবং কেতু দক্ষিণ গাণিতিক বিন্দু। ফলিত জ্যোতিষে রাহু এবং কেতুর গুরুত্ব অপরিসীম। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে ধীরগতি সম্পন্ন গ্রহের ফলদানের ক্ষমতা বেশি। রাহু ও কেতু এক এক রাশিতে কমবেশি এক বছর ছয় মাস অবস্থান করে। রাহু-কেতু সর্বদা সমসপ্তমে (রাহুর সপ্তমে কেতু) অবস্থানের কারণে রাশি পরিবর্তনও একই সঙ্গে, একই সময়ে করে। রাহু-কেতু গাণিতিক বিন্দু হলেও জ্যোতিষশাস্ত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জ্যোতিষশাস্ত্রে রাহুর সঙ্গে পার্থিব বিষয়ের সম্পর্ক রয়েছে। রাহু পার্থিব চাহিদা বৃদ্ধি করে। রাহু প্রলোভন, অতৃপ্তি, ভ্রম ইত্যাদি দান করে। যে ঘরে অবস্থান করে তার ফল বৃদ্ধি করে। তবে তা বেশ কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে। কেতু যে স্থানে অবস্থান করে কোনও না কোনও ভাবে সেই স্থানের ফলদানের ক্ষমতা নাশ করে দেয়।
আরও পড়ুন:
২০২৬-এ রাহু-কেতুর অবস্থানের কারণে কোন কোন রাশির সমস্যা সৃষ্টি হবে?
২০২৬-এ ডিসেম্বরের কয়েক দিন বাদ দিলে প্রায় সারা বছরই রাহু কুম্ভ এবং কেতু সিংহ রাশিতে অবস্থান করবে।
বর্তমানে বৃহস্পতির মিথুন রাশিতে অবস্থানের কারণে বেশ কিছু রাশির ব্যক্তি রাহুর কুফল থেকে মুক্তি পাবেন। এই সুফল পাবেন কমবেশি মে মাস পর্যন্ত। বৃহস্পতির রাশি পরিবর্তনের পরে রাহুর কুফল ভোগ করতে হবে।
আরও পড়ুন:
কেতুর অবস্থানের কারণে তুলা রাশির জাতক-জাতিকারা আয়ের ক্ষেত্রে সমস্যা ভোগ করবেন। আশানুরূপ আয় করতে ব্যর্থ হবেন বা আয় নিয়ে কোনও না কোনও ভাবে অসন্তোষ থাকবে।
বৃশ্চিক রাশির জাতক-জাতিকারা সমস্যা ভোগ করবেন কর্মক্ষেত্রে। কর্মক্ষেত্রে কোনও না কোনও সমস্যা লেগেই থাকবে।
তুলা এবং বৃশ্চিক রাশি প্রতি দিন সিদ্ধিদাতা গণেশের পুজো করুন। সমস্যা থেকে পুরোপুরি মুক্তি না পেলেও কিছুটা হলেও সুফল পাবেন।