৩ মার্চ ২০২৬, মঙ্গলবার দোলযাত্রা। রং খেলা মানেই আনন্দের উৎসব। দোলযাত্রা অত্যন্ত পবিত্র একটা দিন। এই দিনে আমরা প্রায় সকলেই একে অপরের সঙ্গে মিলেমিশে আনন্দ উপভোগ করে থাকি। তবে আশপাশের মানুষদের রং দেওয়ার আগে ঈশ্বরকে রং দেওয়ার চল আমাদের মধ্যে রয়েছে। তার পর বাড়ির বড়দের পায়ে রং দিয়ে তাঁদের আশীর্বাদ নিয়ে শুরু হয় রং খেলা। ঈশ্বরকে রং দেওয়ার ক্ষেত্রে বহু মানুষই জানেন না কাকে সবার প্রথমে রং দিতে হয়। শাস্ত্র জানাচ্ছে, নির্দিষ্ট সারিতে ঈশ্বরদের রং দিতে হয়। না হলে তাঁরা সেই রং গ্রহণ করেন না। জেনে নিন, এই বছর দেবতার চরণে রং দেওয়ার পূর্বে সবার প্রথমে কার পায়ে রং দেবেন।
আরও পড়ুন:
কোন দেবতার চরণে সবার প্রথমে রং দিতে হয়?
১) সবার প্রথমে রং গণেশ ঠাকুরের চরণে দিতে হবে। যে কোনও পুজোর ক্ষেত্রে যেমন সবার আগে গণেশের পুজো করতে হয়, তেমনই রং দেওয়ার ক্ষেত্রেও সবার প্রথমে গণেশের পায়ে রং দিতে হবে। এতে জীবন সুন্দর হয়ে উঠবে।
২) তার পর বাড়িতে মা দুর্গার মূর্তি থাকলে তাঁর চরণে রং লাগানো উচিত। এর ফলে বাড়িতে অর্থাভাব কেটে গিয়ে সমৃদ্ধি আসে।
আরও পড়ুন:
৩) মা-ছেলের পর মহাদেবকে রং লাগানো উচিত। এর ফলে নিজের চারপাশে একটা রক্ষাকবচ সৃষ্টি হবে। মহাদেব সর্বদা আপনাকে রক্ষা করে চলবেন। যে কোনও কাজ সাহস ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করতে পারবেন।
৪) তার পর শ্রীকৃষ্ণকে রং লাগানো উচিত। এর ফলে সারা জীবন সুখ-শান্তিতে কাটবে।
আরও পড়ুন:
৫) সব শেষে ইষ্টদেবতার চরণে এবং বাড়িতে বাকি যা ঠাকুরের বিগ্রহ রয়েছে, তাঁদের চরণে রং দিতে হবে।
দেবতাদের রং দেওয়া হয়ে গেলে একটা পাত্রে একটু রং নিয়ে ছাদে গিয়ে কুলদেবী এবং পিতৃপুরুষদের নাম স্মরণ করে উড়িয়ে দিতে হবে। এর ফলে তাঁদের আশীর্বাদ লাভ করবেন। এর পর বন্ধুবান্ধব, ভাই-বোন এবং অন্যান্য মানুষের সঙ্গে রং খেলা যেতে পারে।