×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

১৯ এপ্রিল ২০২১ ই-পেপার

অন্য কাউকে ফাঁসাতেই নিজের উপর হামলা বিজেপি সাংসদের ছেলের? উত্তর খুঁজছে পুলিশ

সংবাদ সংস্থা
লখনউ ০৩ মার্চ ২০২১ ১২:৪৫
আয়ূষ কৌশল।

আয়ূষ কৌশল।
ছবি: সংগৃহীত।

ভরদুপুরে দুষ্কৃতীর গুলিতে আহত হয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের এক বিজেপি সাংসদের ছেলে। মঙ্গলবারের ওই হামলায় সাংসদের এক আত্মীয়কেই গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তবে পুলিশি জেরায় চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন অভিযুক্ত। তাঁর দাবি, সাংসদের ছেলে আয়ূষ কৌশলই নিজের উপরে হামলা করিয়েছেন। অন্য কোনও ব্যক্তিকে ফাঁসানোর জন্যই নাকি এই ঘটনা সাজানো হয়েছিল! অভিযুক্তের দাবির পর আসল সত্য খোঁজার কাজে নেমে পুলিশেরও সন্দেহ, আয়ূষ এই ঘটনার মূল ষড়যন্ত্রকারী। যদিও ঠিক কী কারণে এমনটা করেছেন তিনি, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার দুপুর ২টো নাগাদ লখনউয়ের মড়িয়াঁব এলাকায় বিজেপি সাংসদ কৌশল কিশোরের ছেলের উপর গুলি চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ আসে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় আয়ূষকে উদ্ধার করা হয়। তাঁর কোমরের উপরে এবং কাঁধের নীচে গুলির ক্ষত ছিল। তবে একদিনের চিকিৎসার পর তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পুলিশের কাছে উত্তরপ্রদেশের মোহনলালগঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদের ছেলে আয়ূষ দাবি করেন, মোটরবাইকে সওয়ার দুষ্কৃতীরা তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়।

তদন্তে নেমে ওই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আয়ূষের জামাইবাবু আদর্শকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে তাঁদের সন্দেহ হয়। পুলিশেরও অনুমান, অন্য কাউকে ফাঁসাতে নিজের উপর হামলা করিয়েছেন বছর তিরিশের আয়ূষ। লখনউয়ের পুলিশ কমিশনার ডি কে ঠাকুর বলেন, ‘‘সিসিটিভি-র ফুটেজে দেখা গিয়েছে যে ঘটনাস্থলে আয়ূষের সঙ্গে ছিলেন তাঁর জামাইবাবু আদর্শও। এর পর আয়ূষের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি পিস্তলও উদ্ধার করা হয়। ওই ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’’

Advertisement

পুলিশের দাবি, জেরায় নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন আদর্শ। পুলিশের কাছে তিনি জানিয়েছেন, আয়ূষই তাঁকে গুলি চালাতে বলেছিলেন। যদিও আদর্শের স্বীকারোক্তির উপর পুরোপুরি ভরসা করতে রাজি নন তদন্তকারীরা। তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘‘এখনও পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ বা এফআইআর করা হয়নি। সাংসদের ছেলেকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি অজ্ঞাতবাসে রয়েছেন। এই হামলার ঘটনার তদন্ত চলছে। আশা করি হামলার কারণ জানা যাবে!’’

Advertisement