ভোটগ্রহণের আগের দিন এবং ভোটগ্রহণের দিন সংবাদপত্রে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনে বিধিনিষেধ জারির পথে হাঁটল নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই কেরলের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) আগামী ৯ এপ্রিল বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সমস্ত রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের উদ্দেশে এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করেছে।
আগামী ৯ এপ্রিল এক দফায় কেরলের ১৪০টি বিধানসভা কেন্দ্রেই ভোটগ্রহণ হবে। কমিশনের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ৮ এপ্রিল এবং ৯ এপ্রিল ‘প্রিন্ট মিডিয়া’য় (সংবাদপত্র, পত্রিকা ইত্যাদি) কোনও রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা যাবে না। কোনও বিজ্ঞাপন প্রকাশ করতে হলে তার বিষয়বস্তু কমিশনের রাজ্য বা জেলা স্তরের ‘মিডিয়া সার্টিফিকেশন অ্যান্ড মনিটরিং কমিটি (এমসিএমসি)-র দ্বারা পূর্ব-অনুমোদনের প্রয়োজন বলেও জানানো হয়েছে নির্দেশিকায়। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দু’দফায় ভোটগ্রহণ। এখানেও এমন নির্দেশিকা জারি করা হতে পারে।
আরও পড়ুন:
কেরালার মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক রতন ইউ কেলকার শুক্রবার গভীর রাতে জারি করা নির্দেশে বলা হয়েছে, ‘নির্বাচন প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়ে প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশিত আপত্তিকর, বিভ্রান্তিকর বা উস্কানিমূলক বিজ্ঞাপন পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে প্রভাবিত দল ও প্রার্থীরা প্রায়ই প্রয়োজনীয় জবাব দেওয়ার সুযোগ পায় না, সে কারণেই এই পদক্ষেপ’। সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদের অধীনে ক্ষমতা প্রয়োগ করে, সিইও-র নির্দেশ, ৮ ও ৯ এপ্রিল কোনও রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, সংস্থা বা ব্যক্তি প্রিন্ট মিডিয়ায় কোনও বিজ্ঞাপন প্রকাশ করতে পারবে না, যদি না তার বিষয়বস্তুর ক্ষেত্রে রাজ্য বা জেলা স্তরের এমসিএমসি-র কাছ থেকে পূর্ব-অনুমোদন নেওয়া হয়। ৩২৪ অনুচ্ছেদ নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচন পরিচালনা, নির্দেশনা এবং নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা প্রদান করে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে যে, আবেদনকারীদের প্রস্তাবিত বিজ্ঞাপন প্রকাশের তারিখের অন্তত দু’দিন আগে রাজ্য বা জেলা এমসিএমসি-র কাছে খসড়া বিষয়বস্তু জমা দিতে হবে।