মুম্বইয়ে বাজেয়াপ্ত হল ১,৭৪৫ কোটি টাকার মাদক। নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি)-র এক অভিযানে এই বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ৩৪৯ কেজি কোকেন। এনসিবি-র এই সাফল্যের কথা সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। তিনি জানিয়েছেন, এক বড় আন্তর্জাতিক মাদকচক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে এনসিবি।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত ওই পোস্টে আন্তর্জাতিক ওই মাদকচক্রের বিষয়ে বিশদে কোনও বিবরণ নেই। ঘটনাচক্রে, এমন এক সময়ে এই তথ্য প্রকাশ্যে এল, যখন দাউদ ইব্রাহিমের ঘনিষ্ঠ মাদক কারবারি সেলিম দোলাকে ভারতে নিয়ে আসা হয়েছে। তবে এই দুই ঘটনার সঙ্গে কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। শুক্রবার সকালে শাহ সমাজমাধ্যমে লেখেন, ‘‘মাদকচক্রকে কড়া হাতে নির্মূল করতে আমরা বদ্ধপরিকর। এনসিবি একটি বড় আন্তর্জাতিক মাদকচক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে মুম্বই থেকে ১,৭৪৫ কোটি টাকার ৩৪৯ কেজি কোকেন বাজেয়াপ্ত করেছে।’’ তিনি আরও লেখেন, ছোট ছোট চালানের (মাদক চোরাচালানের) সূত্র ধরে একটি বিশাল ‘নেটওয়ার্কের’ সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এই অভিযান ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক হিসাবে একটি উদাহরণ হয়ে থাকবে বলেও জানিয়েছেন শাহ।
আরও পড়ুন:
দাউদ ঘনিষ্ঠ মাদক কারবারি সেলিমকে গত মঙ্গলবারই তুরস্ক থেকে ভারতে নিয়ে আসা হয়েছে। ঘটনাচক্রে, তার কয়েক দিন পরেই মুম্বই থেকে এই বিপুল পরিমাণে মাদকদ্রব্য উদ্ধার করল এনসিবি। তুরস্ক থেকে দেশে ফেরানোর পরে প্রথমে দিল্লির এনসিবি আধিকারিকদের হেফাজতে ছিলেন সেলিম। পরে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় মুম্বইয়ে। বৃহস্পতিবারই মুম্বইয়ের এক আদালত সেলিমের ৮ মে পর্যন্ত এনসিবি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। তদন্তে ইতিমধ্যে বেশ কিছু তথ্য উঠে এসেছে। পিটিআই জানাচ্ছে, ভারত থেকে পালানোর পরে বুলগেরিয়ার পাসপোর্টে তুরস্কে থাকতেন তিনি। বদলে ফেলেছিলেন নামও। পলাতক সেলিম তুরস্কে গিয়ে হয়ে গিয়েছিলেন ‘হামজ়া’। এই ভুয়ো নামেই নিজের মাদক কারবার চালাতেন তিনি।