মাত্র ২৪ ঘণ্টা। তার মধ্যেই আবার সংবাদ শিরোনামে পঞ্জাবের ভাতিন্ডা সেনাছাউনি। এ বার সেখানে এক সেনা জওয়ান নিজের মাথায় গুলি করে আত্মঘাতী হয়েছেন। পঞ্জাব পুলিশের তরফে এই খবর পাওয়া গিয়েছে। বুধবারই সেনাছাউনির ভিতরে থাকা ঘুমন্ত জওয়ানদের উপর গুলি চালানো হয়। এই ঘটনায় মৃত্যু হয় ৪ জনের। প্রাথমিক ভাবে এটিকে সন্ত্রাসবাদী হামলা বলে মনে করা হলেও পরে জানা যায়, ‘অভ্যন্তরীণ’ কারণেই ওই ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় তদন্তও চলছে।
সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে বৃহস্পতিবার যে সেনা জওয়ান আত্মঘাতী হন, তাঁর নাম লঘুরাজ শঙ্কর। এই দিন সকালে কর্তব্যরত অবস্থাতেই নিজের সার্ভিস রিভলবার মাথায় ঠেকিয়ে আত্মঘাতী হন তিনি। তাঁকে তড়িঘড়ি সেনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর শরীরে বুলেটের গভীর ক্ষত ছিল। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কিছু সময় পরেই তাঁর মৃত্যু হয়। সেনার তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার সেন্ট্রির দায়িত্ব পালন করছিলেন মৃত ওই সেনা জওয়ান। তাঁর কাছ থেকে সার্ভিস রাইফেল এবং গুলি উদ্ধার করা গিয়েছে। গত মঙ্গলবারই ছুটি কাটিয়ে কাজে যোগ দিয়েছিলেন ওই জওয়ান। কেন তিনি আত্মঘাতী হলেন, তার কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে সামরিক ছাউনিতে গুলিকাণ্ডের ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় পার হয়ে গেলেও এখনও অধরা হামলাকারীরা। সামরিক ছাউনিতে এখনও চিরুনিতল্লাশি চলছে। অপরাধীদের খুঁজে পেতে আশপাশের সমস্ত সিসি ক্যামেরার ফুটেজও খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে পুলিশ। পঞ্জাব পুলিশের এসএসপি গুলনীত বলেন, ‘‘বিষয়টি তদন্তাধীন। আমরা বিস্তারিত ভাবে তদন্তের জন্য সামরিক ছাউনি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রাখছি।’’