Advertisement
E-Paper

ভারতের পণ্যে চাপানো ২৫% শুল্ক প্রত্যাহারের ইঙ্গিত ট্রাম্প প্রশাসনের! কেন সুর নরম?

ভারতের রুশ তেল আমদানি বন্ধ করাতে চড়া শুল্ক আরোপ করেছেন ট্রাম্প। ভারতের পণ্যে এখন মোট শুল্কের পরিমাণ ৫০ শতাংশ। তবে মার্কিন অর্থসচিব স্কট বেসেন্টের কথায় শুল্ক প্রত্যাহারের ইঙ্গিত মিলেছে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ১৪:১৬
(বাঁ দিকে) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

ভারতের পণ্যের উপর বাড়তি ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছে আমেরিকা। ফলে মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫০ শতাংশে। তবে এ বার পরিস্থিতি বদলাতে পারে। শুল্ক হ্রাসের ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন অর্থসচিব স্কট বেসেন্ট। দাবি, রাশিয়ার কাছ থেকে খনিজ তেল কেনা বন্ধ করে দিয়েছে ভারত। তাই এ বার শুল্ক প্রত্যাহারের বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা যেতে পারে।

বেসেন্ট সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকো-কে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। ভারতের উপর ট্রাম্পের শুল্কনীতির সাফল্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘‘ভারতের উপর আমাদের ২৫ শতাংশ শুল্ক ভীষণ ভাবে সফল। ভারত রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধই করে দিয়েছে। যদিও এখনও শুল্ক চালু রয়েছে। আমার মনে হয়, এ বার সেটা প্রত্যাহারের পথ খুলেছে।’’ গত সপ্তাহে সুইৎজ়ারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে যোগ দিয়েছিলেন বেসেন্ট। সেখান থেকেই ফক্স নিউজ়ের কাছে দাবি করেছিলেন, ভারত রাশিয়ার তেল কেনা তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে কমিয়ে দিয়েছে। এ বার তিনি শুল্ক নিয়েও কথা বললেন।

ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম খনিজ তেল আমদানিকারক। গত কয়েক বছরে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা ধারাবাহিক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তাতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন ট্রাম্প। দাবি ছিল, ভারত এই তেল কেনার কারণেই ইউক্রেনে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারছে রাশিয়া। এর জন্য ভারতের উপর গত জুলাইয়ে শাস্তিমূলক ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়। ভারত থেকে আমেরিকায় রফতানিকৃত সকল পণ্যে মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫০ শতাংশ। ফলে দুই দেশের বাণিজ্য ধাক্কা খেয়েছে। চ়ড়া শুল্কের কারণে পণ্য রফতানির জন্য আমেরিকার বিকল্প খুঁজেছে নয়াদিল্লি। কিন্তু রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করেনি। ভারত সরকার জানিয়েছিল, আন্তর্জাতিক বাজারদর এবং জাতীয় স্বার্থের উপর নির্ভর করে তারা বাণিজ্যনীতি স্থির করে। তৃতীয় পক্ষের হুমকিকে এখানে প্রাধান্য দেওয়া হবে না।

সাম্প্রতিক কিছু রিপোর্টে দাবি, ভারতের একাধিক বেসরকারি সংস্থা রাশিয়ার তেল কেনা কমিয়েছে। তবে সরকার কী করছে, তা জানা যায়নি। আনুষ্ঠানিক ভাবে এ বিষয়ে আগের অবস্থানেই এখনও অনড় কেন্দ্র। রাশিয়ান তেল কেনা বন্ধের কোনও ইঙ্গিত দেওয়া হয়নি। বেসেন্ট কোথা থেকে এই তথ্য পেলেন, স্পষ্ট নয়।

Donald Trump India US Tariff Row Narendra Modi Russian Oil
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy