Advertisement
E-Paper

মিলল জামিন, মুক্তি পাচ্ছেন চেতিয়া

চারটি মামলাতেই জামিন পেয়ে গেলেন আলফার সাধারণ সম্পাদক অনুপ চেতিয়া। অসম পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে আর কোনও মামলা রুজু না করলে সম্ভবত আগামী কালই মুক্তি পাবেন তিনি। বাংলাদেশের হাত থেকে চেতিয়ার জিম্মা নেওয়ার পরে সিবিআই তাঁর বিরুদ্ধে ১৯৯৮ সালে গোলাঘাটের একটি হত্যার ঘটনায় (রেগুলার কেস নম্বর ৪/৮৮) মামলা রুজু করে। এই মামলায় তিন দফায় চেতিয়ার কারাবাসের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ০৫:০২

চারটি মামলাতেই জামিন পেয়ে গেলেন আলফার সাধারণ সম্পাদক অনুপ চেতিয়া। অসম পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে আর কোনও মামলা রুজু না করলে সম্ভবত আগামী কালই মুক্তি পাবেন তিনি।

বাংলাদেশের হাত থেকে চেতিয়ার জিম্মা নেওয়ার পরে সিবিআই তাঁর বিরুদ্ধে ১৯৯৮ সালে গোলাঘাটের একটি হত্যার ঘটনায় (রেগুলার কেস নম্বর ৪/৮৮) মামলা রুজু করে। এই মামলায় তিন দফায় চেতিয়ার কারাবাসের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে রুজু থাকা অসম পুলিশের বাকি তিনটি মামলাতেই জামিন পেয়ে যান চেতিয়া।

সভাপতি অরবিন্দ রাজখোয়া, সহ-সভাপতি প্রদীপ গগৈ-সহ আলফার আলোচনাপন্থী নেতারা কেন্দ্র সরকার ও রাজ্য সরকারকে একাধিকবার আবেদন জানান— শান্তি আলোচনা চালাতে গেলে সাধারণ সম্পাদক চেতিয়ার মুক্তি জরুরি। মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈও চেতিয়ার মুক্তির পক্ষে ছিলেন। তাই, পুলিশের দায়ের করা মামলাগুলিতে চেতিয়ার জামিনের বিরোধিতা করেনি রাজ্য সরকার।

চিন্তা ছিল সিবিআইয়ের দায়ের করা মামলা নিয়ে। কারণ, এর আগে দু’দফায় চেতিয়ার জামিনের আবেদনে বিরোধিতা করেছিলেন সিবিআইয়ের আইনজীবি। কিন্তু অসমে বিধানসভা নির্বাচনের আগেই আলফার সঙ্গে শান্তি চুক্তি শেষ করে ফেলতে চায় কেন্দ্র। তাই, চেতিয়ার মুক্তিতে আর দেরি করতে চায়নি এনডিএ। আজকের শুনানিতে সিবিআই চিঠি দিয়ে জানায়, চেতিয়ার জামিনে তাদের আপত্তি নেই।

কামরূপের অতিরিক্ত দায়রা বিচারক বিজয়লক্ষ্মী বরুয়া কেস ডায়েরি খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেন, ওই মামলায় চেতিয়াকে জেলে আটকে রাখার দরকার নেই। তাই, ৩০ হাজার টাকার জমা রেখে চেতিয়াকে জামিন দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

চেতিয়ার আইনজীবি বিজন মহাজন জানান, আজ আদালতের রায়ের প্রতিলিপি হাতে আসতে সন্ধ্যে হয়ে গিয়েছে। তাই আগামী কাল বন্ডের টাকা জমা দেওয়া হবে। বাকি মামলাগুলিতে জামিনের টাকা ইতিমধ্যে জমা দেওয়া হয়েছে। যদি পুলিশ আগামী কাল অন্য কোনও মামলায় চেতিয়ার হেফাজত চেয়ে আবেদন না করে— তা হলে বৃহস্পতিবারই জেল থেকে বেরোবেন চেতিয়া।

১৯৯৭ সালে ঢাকা থেকে অন্য দুই সঙ্গী-সহ অনুপ চেতিয়া গ্রেফতার হয়েছিলেন। তার পর থেকেই তিনি জেলের ভিতরে জীবন কাটাচ্ছেন। বাংলাদেশে কারাবাসের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও ভারতে ফিরতে চাননি চেতিয়া। প্রাণ সংশয় থাকার যুক্তি দেখিয়ে তিনি বাংলাদেশেই রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়ে আবেদন জানান। কিন্তু আলফার আলোচনাপন্থী নেতাদের মধ্যস্থতায় চেতিয়া মত বদল করেন।

অবশেষে ১১ নভেম্বর বাংলাদেশ সরকার চেতিয়া ও তাঁর দুই সঙ্গী মনোজ গোস্বামী ও লক্ষ্মীপ্রসাদ গোস্বামীকে ভারতের হাতে তুলে দেয়।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy