লন্ডনে জামিনের আর্জি খারিজ হয়ে গেল নীরব মোদীর। বুধবার গ্রেফতার করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে ওয়েস্টমিনস্টার ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে তোলা হয়। সেখানে জামিনের আর্জি জানান তিনি। জামিন পেতে ৫ লক্ষ পাউন্ড বন্ডেরও প্রস্তাব দেন । কিন্তু তাঁর প্রস্তাব খারিজ হয়ে যায় আদালতে। আগামী ২৯ মার্চ পরবর্তী শুনানি না হওয়া পর্যন্ত জেলেই থাকতে হবে তাঁকে। 

বুধবার লন্ডনে নীরব মোদীকে গ্রেফতার করে সেখানকার পুলিশ। পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের সঙ্গে প্রতারণা করার অভিযোগ আছে তাঁর বিরুদ্ধে।ভারতের অনুরোধে ইংল্যান্ডের একটি আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। তার পর এ দিন তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।  

ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের একটি আবেদনের ভিত্তিতেই এই পরোয়ানা জারি করেছিল ইংল্যান্ডের আদালত। গত কালই ইংল্যান্ডের হলবর্ন মেট্রো স্টেশনেক কাছ থেকে তাঁকে ধরেছে স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড, এমনটাই জানা যাচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট সূত্রে।  

বেশ কিছু দিন ধরেই তাঁকে গ্রেফতারির সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছিল। গত কয়েক সপ্তাহে  তাঁকে বেশ কয়েক বার দেখাও যায় লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায়। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর তিনি প্রতিবারই ‘নো কমেন্টস’ বলে এড়িয়ে গিয়েছেন। তাঁকে ভারতে প্রত্যর্পণের জন্য কিছু দিন আগেই ইংল্যান্ডের কাছে আবেদন করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এর পরই দিন তিনেক আগে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল ইংল্যান্ডের আদালত।

আরও পড়ুন: মাসুদ আজহারকে নিষিদ্ধ করতে এ বার উদ্যোগী হল জার্মানি 

নীরব মোদীকে গ্রেফতার করা হলেও তাঁকে ভারতে ফেরত নিয়ে আসাটা খুব একটা সহজ হবে না। কারণ, বিজয় মাল্যের ক্ষেত্রেও ইংল্যান্ডের কাছ থেকে ভারতে প্রত্যর্পণের সবুজ সঙ্কেত পেতে দীর্ঘ আইনি রাস্তায় হাঁটতে হয়েছিল ভারতকে। 

আরও পড়ুন: দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯

গত বছরে পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের সঙ্গে করা প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার প্রতারণা ধরা পড়ে। তার ঠিক আগের সপ্তাহেই দেশ ছেড়়ে পালিয়েছিলেন ৪৮ বছরের এই কোটিপতি রত্নব্যবসায়ী।