Advertisement
E-Paper

প্রসাধনীর বাজারে এসেছে কুমড়োবীজের তেল, কী এর কাজ, কারা কী ভাবে তা মাখবেন?

কুমড়োবীজ শুধু পাতেই জায়গা করে নিচ্ছে না, প্রসাধনীর বাজারে তার তেলও বিক্রি হচ্ছে। এই তেলের কাজ কী, কারাই বা মাখবেন?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:১১
কী ভাবে কুমড়ো বীজের তেল মাখবেন?

কী ভাবে কুমড়ো বীজের তেল মাখবেন? ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

নারকেল তেল, আর্গন অয়েল, রোজ়মেরি অয়েল, হোহোবা অয়েল— চুলের যত্নে এমন অনেক ধরনের তেলের ব্যবহার চলে আসছে দীর্ঘ দিন। তবে এ বার নজর কুমড়োবীজের তেলে। স্বাস্থ্য সচেতন মানুষজনের খাদ্যতালিকায় যেমন জুড়েছে কুমড়োবীজ, তেমনই এই বীজের কদর জানার পর থেকে প্রসাধনীর জগতেও তা জুড়ে গিয়েছে। বাজারে বিভিন্ন ধরনের কুমড়োবীজের তেল এবং ক্যাপসুলও মিলছে। সেই তেল কি আপনিও মাখতে পারেন?

কেশচর্চা শিল্পীরা জানাচ্ছেন, এতে রয়েছে ওমেগা ৩ এবং ওমেগা ৬, দুই ধরনের ফ্যাটি অ্যাসিড, ট্রিপটোফ্যান নামক অ্যামাইনো অ্যাসিড। তা ছাড়াও এই বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, ভিটামিন ই এবং ফাইটোস্টেরল, যা চুলের ফলিকল মজবুত করে চুল ঝরা রোধ করতে যেমন সাহায্য করে, তেমনই চুলের বৃদ্ধিতেও কাজে আসে। অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমিয়ে চুলের গুণগত মান বজায় রাখে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট।

‘জার্নাল অফ কসমেটিক ডার্মাটোলজি’-তে ২০২১ সালে প্রকাশিত এক সমীক্ষা্র রিপোর্ট বলছে, মহিলাদের চুল ঝরার সমস্যায় এই তেল প্রয়োগ করে ইতিবাচক সাড়া মিলেছে। এমনকি, চুল ঝরার চিকিৎসার চিরাচরিত পন্থা মিনোক্সিডিল (৫ শতাংশ) ব্যবহার করে দেখা গিয়েছে, কুমড়োবীজের তেল তিন মাসে অনেক বেশি ফলদায়ক হয়েছে।

Advertisement

কুমড়োবীজে থাকা ফাইটোস্টেরলই ম্যাজিকের মতো কাজ করেছে বলে পরীক্ষায় উঠে এসেছে। ফাইটোস্টেরল ডিহাইড্রোটেস্টোস্টেরন তৈরিতে সাহায্য করে, যা চুল ঝরা রোধ করে। যদিও এই নিয়ে আরও গবেষণায় প্রয়োজন আছে, মানছেন কেশচর্চা শিল্পীরা। শুধু চুল ঝরা নয়, নানা রকম পুষ্টিতে ভরপুর কুমড়োবীজের তেল যে চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে, প্রাথমিক ভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষায় তারও প্রমাণ মিলেছে।

কী ভাবে মাখতে হবে?

বাজারে কুমড়োবীজের তেলের ক্যাপসুল যেমন মেলে, তেমনই চুলে মাখার তেলও পাওয়া যায়। কেশচর্চা শিল্পীরা জানাচ্ছেন, কখনও কখনও ক্যাপসুল সাপ্লিমেন্ট হিসাবে খেতে বলা হয়। আবার তেল মাসাজেও কাজ হয়।

তেল যাতে চুলের ফলিকল পর্যন্ত পৌঁছয়, সে জন্য ডার্মা রোলার ব্যবহার করা যেতে পারে। চুল শ্যাম্পু করে শুকিয়ে নিন। এ বার চিরুনি দিয়ে সিঁথি কেটে আঙুলের ডগা দিয়ে তেল লাগিয়ে নিন। তার পরে ডার্মা রোলার সিঁথি এবং চুলে আলতো করে বুলিয়ে নিন। এই রোলার তেল মাথার ত্বকে ভাল ভাবে প্রবেশ করাতে সাহায্য করবে। এতে রক্ত সঞ্চালনও ভাল হবে।

এ ছাড়া তেল আঙুলের সাহায্য মাসাজ করলেও কাজ হবে। সঠিক পন্থায় মাসাজে মাথার ত্বকের রক্ত স়ঞ্চলন ভাল হয়। তা ছাড়া মাসাজ করলে তেল আরও ভাল ভাবে মাথার ত্বকে প্রবেশ করে।

শুধু চুল নয়, ত্বকের যত্নেও এই তেলের ব্যবহার হয়। নখ ভাল রাখতেও কুমড়ো বীজের তেল মাসাজ করা যায়।

কারা এই তেল মাখবেন না?

কুমড়োবীজে অ্যালার্জি থাকলে, হরমোন এবং রক্তচাপের ওষুধ খেলে, এই ধরনের তেলের ব্যবহার এড়িয়ে চলাই ভাল। এ বিষয়ে এক বার চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।

Pumpkin seeds Hair Oil
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy